বিবিসি
করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রকে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন সরবরাহ না করলে পরিণাম ভুগতে হবে বলে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির ২৪ ঘণ্টার মাথায় ওষুধ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল ভারত। মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২৪টি ওষুধ তৈরির উপাদান ও ওষুধ রপ্তানির ওপর নিষে-ধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছে।
করোনা ভাই-রাসের প্রাদুর্ভাবের পর গত মাসে ম্যালেরিয়ার কার্যকর হাইড্রোক্সিক্লো-রোকুইনসহ বেশ কিছু ওষুধ ও ওষুধ তৈরির উপাদান রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত। অনেকে মনে করছেন এই ওষুধটি কোভিড-১৯ এর চিকিত্সায় ভালো ফল বয়ে আনতে পারে। এর পরই এই ওষুধটির জন্য চাপ দিতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প দাবি করেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ‘গেম চেঞ্জার’ হয়ে উঠতে পারে। অবশ্য তার এই দাবির পক্ষে নিশ্চিত প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ ও চিকিত্সা সরঞ্জাম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হলে প্রত্যাঘাত হবে।’ করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনালাপ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি অবাক হব এটা যদি তার সিদ্ধান্ত হয়। তার এই সিদ্ধান্তের কথা আমাকে জানানো উচিত ছিল। আমি তাকে বলেছি, আমরা আপনার প্রশংসা করব, যদি আমাদের ওষুধপত্র ও চিকিত্সা সরঞ্জাম সরবরাহ করেন।’
ভারতের পক্ষ থেকে অবশ্য নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। তবে মোদি সরকারের এক মুখপাত্র ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হয়েছে।
