ড. আতিউর রহমান
আমরা একটা অদ্ভুত আশঙ্কাজনক সময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। বাংলা নববর্ষের আগে আগে যে সময়টায় শিল্পীদের মঙ্গল শোভাযাত্রার সাজসজ্জা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, তখন তারা চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পিপিই তৈরি করতে দিবানিশি কাজ করছেন। সংস্কৃতিকর্মীদের এ সময় নববর্ষের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা। কিন্তু তারা ব্যস্ত আছেন কর্মহীন শিল্পীসহ প্রান্তিক মানুষদের সহায়তার জন্য অর্থ উত্তোলনে। কিছু ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোও এগিয়ে আসছে। আসলে বাংলাদেশের ইতিহাস মানেই মহাদুর্যোগের কালে ঐক্যবদ্ধ মানুষের প্রবল প্রাণশক্তি নিয়ে একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর গল্প।
পুরো বিশ্বই আজ এক অভূতপূর্ব অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিশ্ব নেতৃত্ব এই দুর্যোগ সামাল দিতে গিয়ে হত-বিহ্বল হয়ে পড়েছেন। বহু বছর ধরে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কার্যকরভাবে মোকবিলা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা বাংলাদেশও কোভিড-১৯ নামের এই অদৃশ্য শত্রুর মোকাবিলা করতে গিয়ে প্রাথমিকভাবে কিছু ধাক্কা খেয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে গিয়ে উন্নত দেশগুলোর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও হিমশিম খাচ্ছে। সত্যি বলতে স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়নে আমরাও খুব বেশি বিনিয়োগ করে উঠতে পারিনি, যেমনটা পেরেছে প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কা। খাবার স্যালাইন, সবার জন্য টিকা কর্মসূচি, শিশু ও মাতৃমৃত্যু রোধে আমাদের প্রশংসনীয় অর্জন থাকলেও চলমান করোনা দুর্যোগ মোকাবিলা করতে গিয়ে আমাদের স্বাস্থ্য অবকাঠামোর দুর্বলতাগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এছাড়াও শুরুতে আমরা হয়তো এই দুর্যোগকে অতটা গুরুত্ব দেইনি। তাই সামাজিক দূরত্ব বিষয়ে সচেতনতা তৈরি, কিংবা চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত পিপিই সরবরাহ, রোগ নির্ণয়ের কিট ও আক্রান্তদের চিকিত্সার জন্য পর্যাপ্ত ভেন্টিলেটর মেশিন সরবরাহের মতো বিষয়গুলোতে ঘাটতি রয়ে গেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নীতি-নির্ধারক মহলসহ সব পর্যায়ে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ উপাসনালয়গুলোতে জমায়েত নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত তাই বলে। পাশাপাশি সম্প্রতি যে চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা একেবারে সামনে থেকে করোনার সঙ্গে লড়ে যাচ্ছেন তাদের জন্য প্রধামন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিমা-সুবিধার ঘোষণা এবং তাদের ত্যাগকে বিশেষভাবে স্বীকৃতি দেওয়া নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
আমাদের অর্থনীতিও আজ হুমকির মুখে পড়েছে। এ দেশের শ্রমশক্তির বড়ো অংশটি অনানুষ্ঠানিক খাতে যুক্ত থাকায় অর্থনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলার প্রথাগত কৌশলগুলো বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় করোনা বিস্তারের কারণে আমাদের জাতীয় আয়ের প্রধান দুই উত্স গার্মেন্ট ও রেমিট্যান্স হুমকির মুখে পড়েছে। অন্য দিকে চীনে এই দুর্যোগের কারণে আমাদের আমদানিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যাপক মাত্রায়। এ মুহূর্তে বিদেশি সহায়তাও খুব বেশি আশা করা যাচ্ছে না। কারণ, যারা সহায়তা করবে তারা নিজেরাও বিপদে।
এই চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতেই আমাদের একদিকে দেশের মানুষকে বাঁচাতে হবে, অন্যদিকে মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকার অবশ্যই সাধ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে। কিন্তু এর পাশাপাশি আমাদের অ-সরকারি এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর সক্ষমতাকেও কাজে লাগাতে হবে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যা, এমন কি সাম্প্রতিককালে রানা প্লাজা দুর্ঘটনার সময়েও সরকারের পাশাপাশি অন্যান্য অংশীজনদের সুসমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা আমরা দেখিয়েছি। সৌভাগ্যের বিষয় এই যে, এই সময় আমাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাননীয় প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো তিনিও জাতীয় দুর্যোগে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। এই করোনা দুর্যোগের সময়ও তিনি জাতির অনুপ্রেরণার ও ভরসার উত্স হয়ে আছেন।
গার্মেন্ট শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে জটিলতার মতো কিছু ক্ষেত্রে সংকট তৈরি হলেও, বাংলাদেশ সরকার সীমিত সম্পদ ও সময়ের মধ্যে এই অভূতপূর্ব দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের শিল্প ও বাণিজ্য রক্ষার্থে যে ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন তা একটি সময়োচিত পদক্ষেপ। এটি দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক গতি পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আশার সঞ্চার করেছে। এই প্রণোদনার প্যাকেজটির বিশেষত্ব হলো এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক। কারণ শিল্প ও সেবা খাতের বৃহত্ ইউনিটগুলোর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্যও আলাদা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে প্রণোদনার অর্থের যথাযথ ব্যবহারের ওপর এ উদ্যোগের সফলতা সর্বাংশে নির্ভর করছে।
এটা ভুলে গেলে চলবে না যে, আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে এই স্বাস্থ্যগত লড়াইয়ের সামনের সারিতে থাকা চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় এবং অতি দরিদ্র ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে যুক্ত নাগরিকদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে। আশার কথা হলো, সরকার গ্রামে ও শহরাঞ্চলে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোর আওতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার সুফল বয়ে আনতে পারে। সরকার, স্থানীয় সরকার এবং এনজিওগুলো নিয়ে একটি ‘হাঙ্গার হেল্পলাইন’ চালু করতে পারে যার মাধ্যমে খাদ্য-সংকটে থাকা নাগরিকদের চিহ্নিত করা যাবে। এরই মধ্যে সরকারের এটুআই প্রকল্প মূলত করোনাসম্পর্কিত তথ্য দেওয়ার জন্য ৩৩৩ নম্বরের হেল্পলাইন চালু করেছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই হেল্পলাইন ‘হাঙ্গার হেল্পলাইনে’ পরিণত হয়েছে। এরই মধ্যে ৫ হাজারেরও বেশি কল এসেছে খাদ্যের চাহিদা জানিয়ে। সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রশাসনের কাছে চাহিদাগুলো জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনও দ্রুত সাড়া দিচ্ছে। এই হেল্পলাইন ব্যবহার করে স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষগুলোও একত্রে কাজ করতে পারে। ইতিমধ্যেই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটান পুলিশ এমন প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। বড়ো ব্যবসায়ী গ্রুপগুলো এনজিওর সঙ্গে কাজ করে সিএসআরের আওতায় করোনা দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে। আইডিএলসি এমন অংশীদারিত্বভিত্তিক উদ্যোগ ইতিমধ্যেই নিয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংক বিএসএমএমইউয়ের চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ১ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের পিপিই (সুরক্ষা সরঞ্জাম) চীন থেকে আমদানি করার উদ্যোগ নিয়েছে। অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিএসআর কর্মসূচির মাধ্যমে মানবতার সেবায় অনুরূপ কার্যক্রম নিয়ে নিশ্চয়ই এগিয়ে আসবে। বাংলাদেশ ব্যাংকও এ ধরনের কার্যক্রমকে উত্সাহী করবে বলে আশা করি। আশা, সাজিদা ফাউন্ডেশন, ব্র্যাকসহ অন্যান্য এনজিওগুলোও ইতিমধ্যে খাদ্য কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে।
সরকার সামাজিক নিরাপত্তার আওতা বাড়ানোর যে উদ্যোগ নিয়েছে তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে যাদের সহায়তা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তারাই যেন সবার আগে সহায়তা পায় তা নিশ্চিত করা দরকার। আর দ্রব্য দিয়ে সহায়তা করার চেয়ে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়াটাই এ মুহূর্তে বেশি উপকারী হবে। কারণ, এর ফলে বাজারে চাহিদা বাড়বে এবং এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে অর্থনীতিতে। নগদ সহয়তা ঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস কার্যকর ভূমিকা রাখবে। শুনে ভালো লেগেছে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক যেসব গার্মেন্ট শ্রমিকদের এমএফএস অ্যাকাউন্ট নেই তাদেরকে নতুন করে অ্যাকাউন্ট খুলতে সহায়তা করতে মালিকদের অনুরোধ জানিয়েছে।
এই মুহূর্তে কৃষি খাত রক্ষা করার দিকে মনোযোগ দিতে পারলে তা মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদে পুরো অর্থনীতির জন্য সুফল বয়ে আনবে। লকডাউনের কারণে অনেক কৃষক ন্যায্য মূল্যে উত্পাদিত ফসল বিক্রয় করতে পারছেন না। ঈশ্বরদী থেকে কৃষক ময়েজ জানিয়েছেন যে, তারা যে ফসল বিক্রি করতে পারছেন না তা স্থানীয় জনপ্রশাসনের সহায়তায় অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রত্যেকটি পরিবারকে সাত কেজি পরিমাণ সবজি দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ১০ হাজার মানুষ এই সাহায্য পেয়েছেন। আমি মনে করি, এই কৃষকরাও সরকারের এসএমই প্রণোদনা পাওয়ার যোগ্য দাবিদার। এখনই সরকারকে পূর্ব-ঘোষিত মূল্যে কৃষকের কাছ থেকে বোরো ধান কেনার ঘোষণা দিতে হবে। পাশাপাশি যান্ত্রিক পদ্ধতিতে যাতে কৃষক দ্রুত ধান কাটতে পারে সে জন্য সহায়তা দেওয়া দরকার। কারণ লকডাউনের কারণে কৃষিশ্রমিকের অভাব দেখা দিতে পারে। এছাড়া কৃষিপণ্য যাতে অবাধে উত্পাদন স্থল থেকে অন্যত্র যেতে পারে সে ব্যবস্থা অতি জরুরি। এতে এক দিকে কৃষক ন্যায্য মূল পাবেন এবং এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা থাকবে, অন্য দিকে কৃষি উত্পাদের সরবরাহ থাকার ফলে খাদ্য ঘাটতি হবে না। পোলট্রি, মত্স এবং গবাদি পশুর খামারগুলোও যেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসএমই ঋণ পায় তা নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। কারণ এগুলো জনগণের পুষ্টি জোগায় এবং এ খাতগুলোতে বিপুল পরিমাণ জনশক্তিও নিযুক্ত আছে।
ধারণা করা যায় যে, প্রণোদনা প্যাকেজে যে ঋণের কথা বলা হয়েছে তা আসবে দেশের ব্যাংকিং খাত থেকে। কাজেই ব্যাংকগুলোতে যেন অর্থের যথেষ্ট সরবরাহ থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য ব্যাংকগুলোর এসএলআর কমিয়ে আনা যেতে পারে। এছাড়াও পুনঃঅর্থায়ন পদ্ধতিতে প্রতি ছয় মাস অন্তর যে কিস্তির টাকা পাওয়া যাবে তা ব্যাংকগুলো নতুন ঋণ আকারে বাজারে ছাড়তে পারে। প্রাথমিকভাবে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারে। পরবর্তীতে বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফ এবং এডিবির প্রতিশ্রুত অর্থ এর সঙ্গে যোগ করা যাবে। জাতীয় বাজেটে বড়ো অবকাঠামো প্রকল্পসহ এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার নয় এমন খাতে বরাদ্দ করা অর্থ সরিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য খাতে নিয়ে আসার সুযোগও রয়েছে।
সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বিশেষ করে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় করোনা সংকট এবং করোনা পরবর্তী পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি। নিঃসন্দেহে বর্তমান সংকট এবং সংকট পরবর্তী পরিস্থিতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়ায় সরকারকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। তবে সরকারের বাইরে থাকা অংশীজনদের দক্ষতা, সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতাগুলোর সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহারও জরুরি। যেমন অতি দরিদ্র ও অনানুষ্ঠানিক খাতে যুক্ত ব্যক্তিদের সহায়তা করার জন্য চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে এদের সঙ্গে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন এনজিওগুলোকে কাজে লাগানো যেতে পারে।
করোনা পরিস্থিতিতে চিন্তাহীন থাকার উপায় নেই। সরকারসহ সব পক্ষ দুর্যোগ মোকাবিলায় যে একনিষ্ঠতা দেখাচ্ছে তাতে আশাবাদীও হতে পারি। তবে নিজেদের সীমিত সম্পদ ও সক্ষমতার বিবেচনায় আমাদের সুপরিকল্পিত উদ্যোগ নিতে হবে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন তার সবচেয়ে বড়ো শক্তির জায়গা দেশের মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা। আমরাও যদি তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশের মানুষকে ভালো রাখাটাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারণ করি তাহলে এ সংকট কাটিয়ে উঠতে পারব। অতীতেও মহাসংকট থেকে অভাবিত উত্তরণের মাধ্যমে আমরা বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছি। তাহলে আবার কেন পারব না?
n লেখক :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর
