শহরের মানুষ কিছুটা সচেতন হলেও গ্রামের মানুষ এখনো অসচেতন। করোনা ভাইরাস নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই! এখনো হাট-বাজার, রাস্তার পাশের অনেক দোকান খোলা আছে। পুলিশ ও আর্মির দৌড়ানি পড়লে বন্ধ করে, আবার তারা চলে গেলে যে কে সেই। গ্রামবাংলার মানুষ কোয়ারেন্টাইন মানছে না। প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে বের হয়ে পড়ছে ঘর থেকে, হচ্ছে জনসমাগম, বাড়ছে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি। ১৫ থেকে ৩০ বছরের ছেলেগুলো আগের মতোই ক্রিকেট-ফুটবল খেলছে। দলবলে চলাফেরা করছে। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা সমপর্কে অজ্ঞ। যার কারণে ছড়াচ্ছে গুজব। যদি তাদের সচেতন হতে বলেন, দিনে কয়েকবার হ্যান্ডওয়াশ বা সাবান দিয়ে হাত ধুতে বলেন অথবা মানুষের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকতে বলেন, তাদের উত্তরটা গোঁড়ামিতে ভরা। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের বসবাস গ্রামে। অনেকেই এই বন্ধ নিজ বাড়িতেই কাটাচ্ছেন। প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন করছি, গ্রামবাংলার মানুষকে এই করোনা ভাইরাস সম্পর্কে কড়াভাবে সতর্ক করতে, যাতে তাদের মনে ভয় সৃষ্টি হয়। তখন হবে না জনসমাগম বরং সবাই নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করবে।
মুহাম্মদ আবদুল আলিম
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
