রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের শ্রমিকদের বেতনভাতা দিতে যে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে, সেই তহবিল থেকে ব্যাংক যে ঋণ দেবে তা একক ঋণগ্রহীতার সীমার হিসাবের বাইরে থাকবে। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, একক গ্রাহককে ফান্ডেড, নন-ফান্ডেড মিলে একটি ব্যাংক তার মোট মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ ঋণ দিতে পারে। এ ঋণ সীমা অতিক্রম করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনাপত্তি নিতে হয়। এখন রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের শ্রমিকদের বেতনভাতা দেওয়া তহবিলে মালিকদের যে ঋণ দেওয়া হবে সেটি একক ঋণগ্রহীতার সীমা হিসাবায়নের বাইরে থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ এর ১২১ ধারার ক্ষমতাবলে তপশিলী ব্যাংকে আলোচ্য তহবিল হতে প্রদত্ত ঋণে একক ঋণগ্রহীতার সর্বোচ্চ সীমা হিসাবায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ এর ধারা ২৬ (খ) এর উপধারা-১এর বিধান পরিপালন হতে সাধারণভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।
প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প খাতকে রক্ষা করতে গত ২ এপ্রিল শ্রমিকদের বেতনভাতা দিতে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঐ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ তহবিল থেকে শুধু সচল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ঋণ পাবেন। এজন্য তাদের এককালীন গুনতে হবে ২ শতাংশ সার্ভিস চার্জ। ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ এ ঋণের টাকা পরিশোধে সময় পাবে দুই বছর।
