গাজীপুরে দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে রবিবার ভোর থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে গাজীপুরের সিভিল সার্জনসহ তার অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলিয়ে ১৩ জন রয়েছেন। রবিবার পর্যন্ত জেলায় ২৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে সিভিল সার্জন ডা. মো. খায়রুজ্জামান নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন জানান, শনিবার গাজীপুর মহানগরীর চার জন ও কাপাসিয়ার এক ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষার পর করোনা ভাইরাস পজিটিভ এসেছে। ঐ পাঁচ জনের মধ্যে তার অফিসের নাইট গার্ডও রয়েছেন। করোনা রোগীরা যাদের সংস্পর্শে আসেন তাদেরও সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। এজন্য নাইটগার্ডসহ তার অফিসের ১৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংস্পর্শে আসা মোট ১৫০ জনকে শনাক্ত করে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। শনিবার নাইট গার্ডের ঐ নমুনা রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। তাকে তাত্ক্ষণিক কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ রোধে শনিবার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অন্যান্য স্টাফদেরও নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তিনি সরকারি বাসাতে কোয়ারেন্টাইনে থেকেই কাজ করছেন।
সিভিল সার্জন আরো জানান, রবিবার পর্যন্ত জেলায় মোট ২৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তাদের ঢাকায় হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া রবিবার পর্যন্ত জেলায় মোট ২ হাজার ৯৪৪ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ৫৮৩ জন নির্দিষ্ট সময়ের পর কোয়ারেন্টাইন ছেড়ে চলে গেছেন। এ পর্যন্ত ৩০১ জনের স্যাম্পল পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় শনিবার সন্ধ্যা থেকে জেলা প্রশাসন গাজীপুর জেলা লকডাউন ঘোষণা করেছে। সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বানও জানান তিনি।
