স্পোর্টস রিপোর্টার
বড়ো সময়ের জন্য চোট নিয়ে মাঠের বাইরে ছিলেন বসুন্ধরা কিংস ডিফেন্ডার সুশান্ত ত্রিপুরা। ফেরার খুব কাছাকাছি যতদিনে চলে এসেছিলেন, করোনার কারণে সব ধরনের ফুটবলই চলে গেলো হিমাগারে। তবে এ স্থবির সময়ের একটা ভালো দিক দেখছেন বসুন্ধরা ডিফেন্ডার। চোট-জর্জর বসুন্ধরার সামনে এই স্থবিরতা শেষে পূর্ণ স্কোয়াড পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে মুদ্রার উলটোপিঠে আছে আশঙ্কাও। বিরতির ব্যাপ্তি বাড়লে সেটা এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে দলগত ফুটবলে, শঙ্কা সুশান্তর।
করোনার কারণে মাঠের ফুটবল স্থগিত থাকলেও বন্ধ নেই ফুটবলারদের ব্যস্ততা। ফিটনেস ঠিক রাখতে দৈনিক সূচিও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে ক্লাব ও জাতীয় দল থেকে। সেটা মেনে আপাতত ব্যক্তিগত অনুশীলনটাই ধরে রাখছেন সুশান্ত। গতকাল ইত্তেফাককে তিনি বলেন, ‘বাড়িতে, নিজের এলাকায় ব্যক্তিগত অনুশীলনে সমস্যা হচ্ছে না তেমন। প্রতিদিনই রুটিন মেনে ব্যক্তিগত অনুশীলন করছি।’
চোট-জর্জর স্কোয়াড চলতি মৌসুমে বরাবরই ভুগিয়েছে সুশান্তর দল বসুন্ধরা কিংসকে। সুশান্ত নিজেই চোটগ্রস্ত ছিলেন; মাঝমাঠে আতিকুল ইসলাম ফাহাদ, মাশুক মিয়া জনিদের মতো খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতিও ছিল একই কারণে। তবে করোনা-বিরতি খেলোয়াড়দের চোট কাটিয়ে পূর্ণ স্কোয়াড পাওয়ারই সুযোগ করে দিয়েছে বসুন্ধরাকে।
সুশান্ত আশাবাদ, ‘চলতি মৌসুমটা এমনিতেই খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ যাচ্ছিল শুরু থেকেই। তার ওপর আমাদের সমস্যা ছিল দুইটা, একটা ছিল ফিনিশিংয়ে; আরেকটা ছিলো চোট। বার্কোস (হার্নান) আসাতে ফিনিশিং নিয়ে আমাদের সমস্যাটার সমাধান হয়েছে। যারা চোটগ্রস্ত ছিলেন, করোনা বিরতিতে তারাও চোট কাটিয়ে নিতে পারবে অনেকাংশে। যেটা কিছুটা সুফল দিতে পারে দলকে।’
তবে পরিস্থিতি আরো কঠিন হলে স্থগিতাদেশের ব্যাপ্তি বাড়তে পারে আরো। সেক্ষেত্রে সুশান্তর আশঙ্কা, দলীয় খেলাটায় বড়ো প্রভাব ফেলতে পারে সেটা। বসুন্ধরা ডিফেন্ডারের ভাষ্য, ‘একা একা অনুশীলন করে হয়তো ৬০-৭০ ভাগ ফিটনেস ধরে রাখতে পারবেন আপনি, কিন্তু পূর্ণ ফিটনেস পেতে দলীয় অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। একমাস ধরে এখন খেলার বাইরে আছি। সেটা তিন চার মাসের মতো হয়ে গেলে সমস্যা। তখন সেটা বড়ো প্রভাব ফেলবে খেলায়। সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া তো আছেই, ম্যাচ ফিট থাকা নিয়েও সমস্যা হতে পারে।’
