করোনার কারণে সাধারণ ছুটি দেওয়া হয়েছে। যারা দিনমজুর, দিন আনে দিন খায়। রিকশাচালক—রিকশা না চালালে তার আয় বন্ধ। রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড, পথেঘাটে কিছু ছিন্নমূল মানুষ আছে—যাদের আয় বন্ধ। অফিস-আদালত, কলকারখানা সবই বন্ধ। এইসব মানুষ খাবে কী? সরকার সামান্য সাহায্য দিয়েছে। বেশিরভাগ সাহায্য দিয়েছে ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা খাদ্যপণ্য পৌঁছে দিচ্ছে। কেউ কেউ অভাবীদের রান্না করা খাবারও দিচ্ছে। এই কাজগুলো যারা করছে, তাদের শতকরা আশিভাগ তরুণ। তাদের এই কার্যক্রম অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে আহ্বান জানিয়েছে। ফেসবুকের মাধ্যমে ফান্ড সংগ্রহ করেছে অনেকে। অনেকে সাহায্য প্রদানের ছবি পোস্ট করেছে। এর সমালোচনা করছে একদল মানুষ। সমালোচনা করাই যেন তাদের কাজ। তারা কখনোই কারো পাশে দাঁড়ায় না। অথচ তরুণদের এই ভালো কাজের প্রশংসা হওয়া উচিত। ছবি দিলে অন্যেরা উত্সাহিত হতে পারে। যারা ফান্ড সংগ্রহ করে সাহায্য করে, তাদের ছবি দিতে হয়। দানের টাকা সঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে—এটা বোঝানোর একটা ব্যাপার আছে। সামাজিক দূরত্ব না মেনে দান করাসহ কিছু ভুল-ক্রটি হতেই পারে। সংকটের সময়। দেশের এই বিপদে সমালোচনা নয়। প্রয়োজন কাজে নেমে পড়া। ভালো কাজে উত্সাহ দেওয়া । সামর্থ্য থাকলে শরিক হওয়া।
মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
মিরপুর ১২, ঢাকা
