এক কর্মচারীকে মারধরের নিন্দা
করোনা ভাইরাসের এই মহামারিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের কাজ করতে হচ্ছে। গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে শুধু সাংবাদিকরাই কাজ করেন না। শ্রমিক ও কর্মচারীরা রাতদিন কাজ করে থাকেন। যেখানে মালিক কর্তৃপক্ষ সুরক্ষার জন্য কোনো ভূমিকাই পালন করেনি। শ্রমিক-কর্মচারীরা চাকরির ভয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিনই কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই অনেক সংবাদপত্রের প্রকাশনা পূর্বঘোষণা ছাড়াই বন্ধ করেছে। ঐসব প্রকাশনায় কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারী ও সাংবাদিকদের কয়েক মাসের বেতন-ভাতা পাওনা থাকলেও পরিশোধ করেনি। ইতিমধ্যেই বেশকিছু সংবাদকর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং প্রায় ১০০ সংবাদকর্মী কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এই অবস্থায় বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব নিউজপেপার প্রেস ওয়ার্কার্স ও বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশন অনতিবিলম্বে শ্রমিক-কর্মচারী ও সাংবাদিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বকেয়াসহ বেতন-ভাতা দ্রুত পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা ও কোনো শ্রমিক-কর্মচারী ও সাংবাদিককে ছাঁটাই না করার আহ্বান জানান।
এছাড়া অবিলম্বে নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন এবং গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা করেন নেতৃবৃন্দ। এদিকে ১১ এপ্রিল দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিনের মেইল সুপারভাইজার মো. হারুন সন্ধ্যায় কর্মস্থলে যাওয়ার পথে মুগদা হায়দার আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে মুগদা থানা পুলিশের হাতে নির্যাতনের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব নিউজপেপার প্রেস ওয়ার্কার্স ও বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশন। —প্রেস বিজ্ঞপ্তি
