করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে এখন অনেকেই হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করছেন। ফলে বাজারে এই উপকরণ প্রায় দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছে। এর সুযোগ নিয়ে একটি অসাধু চক্র ব্যবহূত গ্লাভস আবারও বিক্রির জন্য প্যাকেটজাত করছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সেখানে অভিযান চালায় র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। রাজধানীর পান্থপথের এএসএম ট্রেডিং নামের ওই জালিয়াত প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা ও বিপুল পরিমাণ ব্যবহূত গ্লাভস জব্দ করা হয়েছে।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, হাত জীবাণুমুক্ত রাখতেই গ্লাভস ব্যবহার করা হয়। অথচ এসব গ্লাভস পরে মানুষের উলটো জীবাণু আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা ছিল। প্রতিষ্ঠানটি মূলত নানারকম চিকিত্সা সরঞ্জাম বিক্রি করে। করোনাকালে গ্লাভসের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তারা অতিরিক্ত লাভের আশায় এমন ন্যক্কারজনক কার্যক্রম শুরু করেছিল। ব্যবহূত গ্লাভসগুলোর প্যাকেটে বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্রান্ডের নাম বসিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।
ম্যাজিস্ট্রেট জানান, প্যাকেটগুলোর গায়ে কোনো দাম লেখা ছিল না। এর ফলে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো চড়া দামে এগুলো বিক্রি করতে পারতেন। আর বেশি দামে ব্যবহূত গ্লাভস কিনে ক্ষতির শিকার হতেন ক্রেতা। এই অপরাধে ভোক্তা অধিকার আইন ও ওষুধ আইনে প্রতিষ্ঠানটির মালিক এ এস এম মুসাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে মুসা জরিমানাই দিয়েছেন। ওষুধ প্রশাসন ও র?্যাব-২ যৌথভাবে এই অভিযান চালায়।
