আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে ৭৪৫টি ভোটকেন্দ্রে এবার ভোট গ্রহণ হবে। এরমধ্যে ৪১৮টি কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলার আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী। বাকি ৩২৭টি কেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থাত্ জেলার ৫৬ শতাংশ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও ৪৪ শতাংশ কেন্দ্র সাধারণ। এদিকে ভোট কেন্দ্রে সার্বিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে তৈরি করা হয়েছে কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা ছক। নিরাপত্তা ছকে ঝুঁকিপূর্ণ ছককে গুরুত্বপূর্ণ ছক বলে অভিহিত করেছে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী। নির্বাচনী কেন্দ্রে পুলিশ ছাড়াও মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ১৫ জন ম্যাজিস্ট্রেট ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করবে।
পুলিশ সুপারের মিডিয়া উইং এর কর্মকর্তা সাজ্জাদ রোমন বলেন, জেলার ৭৪৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪১৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও ৩২৭টি সাধারণ কেন্দ্র। তথ্যমতে, রূপগঞ্জ আসনে ১২৭টি কেন্দ্রের ৫১টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও ৭৬টি সাধারণ কেন্দ্র। আড়াইহাজার আসনে ১১৩টি কেন্দ্রের ৪০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও ৭৩টি সাধারণ কেন্দ্র। সোনারগাঁ আসনে ১১৮টি কেন্দ্রের ৫২টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও ৬৪টি কেন্দ্র সাধারণ কেন্দ্র। সিদ্ধিরগঞ্জ-ফতুল্লা আসনে ২১৬টি কেন্দ্রের ১৬৭টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও ৪৯টি সাধারণ কেন্দ্র। সদর-বন্দর আসনে ১৭১টি কেন্দ্রের ১০৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও ৬৩টি সাধারণ কেন্দ্র। নির্বাচন কমিশনের সূত্রমতে, কেন্দ্রের নিরাপত্তা ছক অনুযায়ী সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় আইন-শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অধিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।
পুলিশ আনসার ও গ্রাম পুলিশের তালিকা অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে অস্ত্রসহ থাকবে ২জন পুলিশ, ১জন আনসার, ১জন অঙ্গীভূত আনসার, এছাড়াও আনসার সদস্যদের মধ্যে মহিলা সদস্য থাকবে ৪জন। পুরুষ সদস্য থাকবে ৬জন। গ্রাম পুলিশ থাকবে ১জন। এছাড়া সাধারণ কেন্দ্রে অস্ত্রসহ ১জন পুলিশ, ১জন আনসার, ১জন অঙ্গীভূত আনসার, এছাড়াও আনসার সদস্যদের মধ্যে মহিলা সদস্য থাকবে ৪জন। পুরুষ সদস্য থাকবে ৬জন। গ্রাম পুলিশ থাকবে ১জন। ক্ষেত্রবিশেষে গ্রাম পুলিশ থাকবে ২জন। উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২০ লাখ ৩৪ হাজার ২৪৫ জন।
