গত ২৫ ডিসেম্বর দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত ‘নারায়ণগঞ্জ থানায় ঢুকে পুলিশকে গুলি করায় জাতীয় পার্টির নেতা গ্রেফতার’ শিরোনামে সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন আলহাজ মোঃ জয়নাল আবেদীন। প্রতিবাদ লিপিতে তিনি বলেন, ২৪ ডিসেম্বর রাতে তার লাইসেন্সকৃত ১৪ রাউন্ড গুলিসহ শর্টগান ও ১০ রাউন্ড গুলিসহ পিস্তল থানায় জমা দিতে গেলে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার কর্তব্যরত অফিসার পিস্তল থেকে গুলি বের করে দেওয়ার কথা বললে আমি পিস্তল থেকে ৯ রাউন্ড গুলি বের করি এবং চেম্বারে থাকা ১ রাইন্ড গুলি মেঝের দিকে নিচু করে আনলোড করার সময় দৈবক্রমে তা মেঝেতে ফায়ার হয়। ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। সে সময় পাকা দেয়াল ব্যতীত সামনে কোনো লোকজন ছিল না। অথচ এ ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করা হয়। এ ব্যাপারে প্রতিবেদকের বক্তব্য: দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ বস্তুনিষ্ঠ ছিল। ঘটনা সম্পর্কে যা প্রকাশ করা হয়েছে তার সম্পূর্ণটাই নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের বক্তব্য থেকে নেয়া। তার দেয়া তথ্যমতে ২৪ ডিসেম্বর রাতে জয়নাল আবেদীন ডিউটি অফিসারের কক্ষে গুলি আনলোড করতে গিয়ে এক রাউন্ড গুলি বের হয়। ওসি কামরুল জানান, এএসআই আনোয়ার ভাগ্যক্রমে জয়নালের ছোড়া গুলি থেকে প্রাণে রক্ষা পান। তখন ওসিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল জয়নাল আবেদীন আটক না গ্রেফতার? উত্তরে ওসি জানান, অবশ্যই কর্তব্যরত অফিসারকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে ১৮ ঘন্টা পর্যন্ত তাকে থানায় আটক রেখে ২৫ ডিসেম্বর বিকালে জয়নালকে ছেড়ে দেওয়ার পর শহরময় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ সংবাদটিও ইত্তেফাকে পরদিন প্রকাশিত হয়। ওসি কামরুল ইসলাম তখন ছেড়ে দেওয়ার কারণ হিসাবে এ প্রতিবেদককে জানায়, ঘটনার তদন্ত চলছে, তার বিরুদ্ধে জামায়াত শিবিরকে অর্থযোগান ও নাশকতার অভিযোগে আলাদা দুটি মামলা রয়েছে। তবে শর্ত সাপেক্ষে আপাতত জয়নাল আবেদীনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
