বোবা প্রাণীগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত হোক

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২০, ২১:৩৫

মুক্ত আকাশ, অবারিত প্রান্তর কিংবা বুনো পরিবেশ আপন হলেও, সেই আপন আলোয় এদের ঠাঁই হয়নি। মানুষের শখ মেটাতেই খাঁচায় বন্দি জীবন এদের। মানুষের দেওয়া খাবারেই মেটে এদের ক্ষুধা। করোনা আতঙ্কে যখন লকডাউন চলছে বিভিন্ন স্থানে, তখন বন্ধ দোকানের খাঁচায় বন্দি প্রাণীগুলোর জীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। তাদের প্রতিটি দিন কাটছে অসহায় ডাকাডাকি আর বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়ে। বাচ্চারা মায়ের দুধ পেলেও, মায়ের ক্ষুধা ও পিপাসা মেটে সামান্যই। এভাবে কত সময় টিকে থাকতে পারে একটি প্রাণ। দীর্ঘ অপেক্ষার পরে হয়তোবা খাবার পাওয়ার সম্ভাবনা উঁকি দেয়। কিন্তু ততক্ষণে কিছু অবলা প্রাণ হার মেনে যায় ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কাছে। করোনা ভাইরাসের মরণ ছোবলে যেখানে থমকে গেছে মানুষের জীবনযাত্রা, সেখানে বেঁচে থেকেও অনাহারে প্রাণের স্পন্দন হারাতে বসে খাঁচায় বন্দি এইসব পশুপাখিরা। ব্যবসার খাতিরে তাদের যত্নেই রাখেন ব্যবসায়ীরা। খাঁচায় বন্দি পশুপাখিগুলোকে খাবার দিতে দিনে অন্তত দুই বেলা দোকান খুলতে হয় মালিকদের। ব্যবসা নয়, পশুপাখিগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই আরো বেশি কিছু সময়ের জন্য হলেও দোকান খোলা রাখাটা জরুরি বলছেন তাঁরা। বেঁচে থাক বোবা প্রাণীরা।

মো. রাশিদুল ইসলাম

শিক্ষার্থী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ,

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া