করেনায় দুর্দিন যাচ্ছে অনেক পরিবারের। ফুটবল রেফারিরা খেলাটাকে ভালোবেসে রেফারি হয়েছিলেন। সবার আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকলেও তারা ফুটবলের বাঁশিটা ভালোবাসেন। কিন্তু বাফুফে রেফারিদের পারিশ্রমিক সময় মতো দিতে পারেনি কিংবা দেয়নি। করোনার সময় অনেকের জন্য একটা দুর্দিন যাচ্ছে। এই সময় কষ্টে থাকা রেফারিরা তাদের পারিশ্রমিকটা পেলে কাজে লাগবে। বাফুফে এরই মধ্যে ২০ লাখ টাকার অনুমোদন দিয়েছে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক বুধবার জানিয়েছেন, তারা আপাতত ২০ লাখ টাকা দিচ্ছেন। বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন দ্রুতই টাকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী টাকা ছাড়করণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। বাফুফের রেফারিজ কমিটির সভাপতি আজাদ রহমান জানিয়েছেন, তারা বকেয়া পারিশ্রমিকটা পেয়ে খুশি। এই দুর্দিনে অনেকেরই সামান্য অর্থও কাজে লাগবে। কীভাবে বিতরণ হবে তারও একটা উদাহরণ দিয়েছেন এই সাবেক রেফারি। আজাদ রহমান বলেন, ‘আমাদের রেফারিরা অনেক কষ্ট করেন। তারা ফুটবল খেলাটাকে ভালোবাসেন, মাঠে আসেন। এই সময় বকেয়া টাকাটা পেলে উপকারই হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সব রেফারি সমান ভাগ পাবেন না। যারা স্বচ্ছল তারা এখন কম পাবেন, অস্বচ্ছলরা একটু বেশি পাবেন।’ আবু নাঈম সোহাগ জানিয়েছেন, রোজার সময় আরেকটা বিল দেওয়া হবে।
খেলা পরিচালনার পারিশ্রমিক বাবদ রেফারিরা ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা পাবেন, পাইওনিয়র লিগ, প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল, নারী ফুটবলসহ এই খেলাগুলো পরিচালনার পারিশ্রমিক প্রক্রিয়াধীন ছিল বলে জানিয়েছেন আবু নাঈম সোহাগ।
