করোনা ভাইরাস থমকে দিয়েছে ক্রীড়া বিশ্ব। একের পর এক বাতিল বা স্থগিত হচ্ছে নানা টুর্নামেন্ট ও সিরিজ। এখন শঙ্কায় পড়ে গেছে এ বছর অস্ট্রেলিয়ায় আয়োজনের কথা থাকা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই বিশ্বকাপের আর খুব বেশি বাকি নেই। তাই অনেকেই মনে করছেন, এই টুর্নামেন্টটি হয়তো বাতিল হতে পারে। কিন্তু সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার ব্র্যাড হগ বলছেন, ভাড়া করা বিমানে দলগুলোকে এনে হলেও টুর্নামেন্ট আয়োজন করা উচিত।
হগ বলছিলে, তিনি কোনোভাবেই এই বিশ্বকাপ বাতিল হওয়া মেনে নিতে পারেন না, ‘অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাতিল বা পরিবর্তিত সূচিতে হতে পারে, এমন অনেক কথাই বলা হচ্ছে। আমি এমনটি চাই না। তবে কিছু বিষয় আছে, যেগুলো নিয়ে আমরা কথা বলতে পারি। অনেক খেলোয়াড় এখন লকডাউনে রয়েছে। তারা বাইরে যেতে পারছে না, বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টের জন্য অনুশীলন করতে, প্রস্তুতি নিতে পারছে না। যে সময়ে তাদের এখানে (অস্ট্রেলিয়ায়) আনার কথা, প্রয়োজনে তার চেয়ে এক মাস বা দেড় মাস আগে এখানে নিয়ে আসা যেতে পারে’।
বিশ্ব জুড়ে বিমান যোগাযোগ সীমিত হয়ে এসেছে অনেক। বিশ্বকাপের আগেও যদি যোগাযোগ স্বাভাবিক না হয়, চার্টার্ড ফ্লাইটে দলগুলোকে অস্ট্রেলিয়া নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ হগের। তার আগে সবার করোনা ভাইরাস পরীক্ষাও করানো হোক, বলছেন জনপ্রিয় এই ধারাভাষ্যকার, ‘এই মুহূর্তে কোনো বাণিজ্যিক ফ্লাইট নেই। আমাদের তাই চার্টার্ড ফ্লাইট ব্যবহার করতে হবে। তার আগে যারা এসব ফ্লাইটে উঠবে, তাদের সবার করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করে নিতে হবে। অস্ট্রেলিয়া পৌঁছার পর তারা দুই সপ্তাহের জন্য লকডাউনে থাকবে। দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ যখন শেষ হবে, তাদের আবারও পরীক্ষা করাতে হবে। যদি তারা পরীক্ষায় নেগেটিভ হয়, তাহলে তারা বাইরে যেতে, অনুশীলন করতে পারবে।’
ক্রিকেট মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখায় কোনো সমস্যা হবে বলে মনে করেন না হগ, ‘সামাজিক দূরত্ব ক্রিকেটে কোনো সমস্যা নয়। কারণ মাঠে খেলোয়াড়রা সবসময়ই পরস্পর থেকে দেড় মিটারের বেশি দূরে থাকে। একমাত্র সমস্যা হতে পারে স্লিপ কর্ডনে। সেখানে একটা নিয়ম করা যেতে পারে, স্লিপ কর্ডনে পরস্পর থেকে দুই মিটার দূরত্বে দাঁড়াতে হবে।’
