চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন স্থানে গত দুই দিন ধরে ত্রাণের জন্য বিক্ষোভ হচ্ছে। তবে এসব বিক্ষোভের পেছনে মহল বিশেষের উসকানি থাকতে পারে বলে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ধারণা করছে। গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর আকবর শাহ থানার কর্নেলহাট এলাকায় শত শত নারী, পুরুষ ও শিশুরা সড়কে মানববন্ধন করে বিক্ষোভ করে। মানববন্ধন কর্নেলহাট থেকে নিউ মনসুরাবাদ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
আগের দিন বিকালে নগরীর বড়পুল এলাকায়ও ত্রাণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে গতকাল বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা ছিল কয়েকগুণ বেশি। তাদের অনেকের হাতে ছিল ‘ত্রাণ চাই’ ‘সাহায্য চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় ঘণ্টাখানেক সড়কে অবস্থান করার পর পুলিশের আশ্বাসে বিক্ষোভকারীরা সড়ক ছেড়ে চলে যায়। বিক্ষোভকারীরা গণমাধ্যমকে বলেন, লকডাউনের কারণে তাদের উপার্জন বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা ও সরকার অসহায় লোকজনের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করলেও তারা এখনো কিছু পাননি। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের দুর্বিষহ জীবন যাপন করতে হচ্ছে।
এদিকে, ত্রাণের জন্য সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের পেছনে মহল বিশেষের উসকানি থাকতে পারে বলে মনে করছে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন ইত্তেফাককে বলেন, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত খাদ্য রয়েছে। ত্রাণ নিয়ে কোথাও সংকট হওয়ার কথা না। তাই এভাবে লোকজন জড়ো করে বিক্ষোভ করারও কোনো কারণ দেখি না। স্থানীয় কাউন্সিলরের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য লোকজনকে রাস্তায় নামাচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
