করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ, জনগণের জীবনের সুরক্ষা, অর্থনৈতিক দুর্ভোগ লাঘব ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করে প্রশাসনের তৃণমূল পর্যন্ত সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। গতকাল রবিবার পার্টির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এই পরামর্শ দেওয়া হয়। পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, এই টাস্কফোর্স সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করবে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, যথোপযুক্ত বিশেষজ্ঞ ব্যক্তির নেতৃত্বে চিকিত্সক, এপিডিমলজিস্ট, ভাইরোলজিস্ট, মাইক্রোবায়োলজিস্ট, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, বিএমএ প্রতিনিধি ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত স্বাস্থ্যবীমা, মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ও অন্যান্য প্রণোদনা প্রদানের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার জন্য পিপিই ও মাস্কসহ সুরক্ষাসামগ্রী প্রদান, করোনা শনাক্তকরণ ও চিকিত্সায় বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহকে সংযুক্ত করারও সুপারিশ করেছে ওয়ার্কার্স পার্টি। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমজীবী মানুষদের দুর্ভোগ লাঘবে ঘোষিত প্যাকেজের পরিমাণ বৃদ্ধি ও তাদের জন্য মোবাইল ব্যাংকের মাধ্যমে তিন মাসের মাসিক ভিত্তিতে পাঁচ হাজার টাকা নগদ অর্থ প্রদান, দরিদ্র মানুষদের মধ্যে খাদ্য বিতরণের জন্য রেশন কার্ড তৈরি এবং তা প্রদানের দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেওয়ারও সুপারিশ রয়েছে স্মারকলিপিতে। স্মারকলিপির কপি কৃষি, খাদ্য, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীসহ সকল রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে ওয়ার্কার্স পার্টির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
