বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
মিরাজুল ইসলাম, প্রভাষক
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ
আমাদের অর্থনীতি:কৃষি ও শিল্প
ঘরের বাইরে যাবে না। সংসদ টেলিভিশনের ক্লাসগুলো দেখবে আর আমাদের দেওয়া সেরা শিক্ষকের ক্লাসগুলো অনুশীলনে রাখবে।
১. সরিষা, বাদাম বা তিসির বীজ পেষণ করে আমরা কী পাই?
উ: তেল।
২. তেলের চাহিদা পূরণের জন্য আমরা কী করি?
উ: বিদেশ থেকে তেল আমদানি করি।
৩. খাবারকে সুস্বাদু করতে খাবারে কী ব্যবহার করা হয়?
উ: বিভিন্ন ধরণের মসলা।
৪. কোন জাতীয় মসলা আমরা উত্পাদন করি?
উ: পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ ইত্যাদি।
৫. মসলার ঘাটতি পূরণের জন্য কী করতে হয়?
উ: বিদেশ থেকে মসলা আমদানি করতে হয়।
৬. যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে কী বলে?
উ: অর্থকরী ফসল।
৭. বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কোনটি?
উ: পাট।
৮. বিশ্বে পাট উত্পাদনকারী প্রধান দেশ কোনটি?
উ: ভারত।
৯. ভারতের পরেই কোন দেশে সবচেয়ে বেশি পাট উত্পন্ন হয়?
উ: বাংলাদেশে।
১০. ‘সোনালী আঁঁশ’ বলা হয় কাকে?
উ: পাটকে।
১১. বাংলাদেশের কোন জেলায় অধিক পরিমাণে পাট উত্পন্ন হয়?
উ: ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুমিল্লা, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর ও নওগাঁ জেলায়।
১২. পাট দিয়ে কী তৈরি করা হয়?
উ: রশি ও চটের থলে বা বস্তা।
১৩. পাট রপ্তানি করে বাংলাদেশ কী অর্জন করে?
উ: প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা।
১৪. বাংলাদেশের জলবায়ু কী চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী?
উ: পাট।
১৫. বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কোন দ্রব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
উ: চা।
১৬. বাংলাদেশের কোথায় চা বেশি পরিমাণে উত্পন্ন হয়?
উ: সিলেট ও চট্টগ্রামে।
১৭. বর্তমানে কোথায় চা চাষ করা হচ্ছে?
উ: দিনাজপুর ও পঞ্চগড় জেলাতে।
