সরকার নির্দেশিত সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোয়। এতে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। নগরীর অন্যতম কাঁচাবাজারে গতকাল থেকেই রাজধানীর কারওয়ান গেছে ক্রেতা-বিক্রেতা গা-ঘেঁষে কেনাকাটা করছেন। এছাড়া, মুদি দোকানেও একই চিত্র দেখা গেছে। তবে মুদি দোকান দুপুর ২টার পর বন্ধ হয়ে যাবে, তাই ভিড় ছিল বেশি।
কারওয়ানবাজারের ক্রেতা সোহেল হোসেন বলেন, বাসায় বাজার নেই। তাই কেনাকাটা করতে এলাম। কিন্তু এখানে এসে দেখি রীতিমতো মেলা বসেছে। যে যেভাবে পারছে গা-ঘেঁষাঘেঁষি করে কেনাকাটা করছে।
কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা মোর্দেশ মিয়া জানান, করোনার কারণে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলক কম। কিন্তু যারা আসছেন, তাদের অনেকেই সামাজিক দূরত্ব মানছেন না। বাজারের প্রবেশ পথে বড় করে ওয়ানওয়ে লেখা রয়েছে। হাতেগোনা কয়েকজন ক্রেতা এই নিয়ম মাছেন। বাকিরা গা-ঘেঁষাঘেঁষি করে চলাচল করছেন।
তেজগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (অপারেশন) হাসনাত খন্দকার বলেন, কারওয়ানবাজারে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে আশি শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জনগণ পুলিশের বেঁধে দেওয়া নিয়মের মধ্য থেকেই বাজার করতে বলা হয়েছে। আমরাও শতভাগ সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছি।
ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবদুল হামিদ মিয়া বলেন, আমরা মার্চের মাঝামাঝিতেই যে সব এলাকায় জনসমাগম বেশি হয়, সেসব এলাকায় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেছিলাম। যেমন কারওয়ানবাজার, মিরপুর। পাশাপাশি সচেতনতামূলক স্টিকার, লিফলেটও বিতরণ করেছি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের এখন পরিকল্পনা হচ্ছে, বাজারগুলোকে ফাঁকা জায়গায় সরিয়ে নেওয়া। ইতোমধ্যে বনানী মাঠে বনানী কাঁচাবাজার সরিয়ে নিয়েছি। এরপর মিরপুর শাহ্আলী মার্কেটও সরিয়ে নেওয়ার পক্রিয়া চলছে। কারওয়ানবাজারও সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা আছে। সিটি করপোরেশনের কর্মীরা করোনা সচেতনতায় কাজ করে যাচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ইত্তেফাক/এসি
