তথ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাঙ্গুনিয়ায় কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছে কৃষকলীগ

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২০, ০০:৩২

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের নির্দেশে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় কৃষকের ধান কেটে দেবে কৃষকলীগ। করোনায় এক দিকে শ্রমিক সংকট ও নগদ অর্থের অভাব, অন্যদিকে বৈশাখ মাস, যে কোনো সময় প্রবল ঝড়-বৃষ্টি এসে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা। এ অবস্থায় পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে চট্টগ্রামের প্রান্তিক উপজেলা রাঙ্গুনিয়ার কৃষকরা যে চরম দুশ্চিন্তায় ছিলেন, তার অবসান হয়েছে সেখানকার (চট্টগ্রাম-৭) সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদের ঘোষণায়।

ধান কাটা উপলক্ষ্যে উপজেলা ও পৌরসভা কৃষকলীগের নেতৃত্বে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা এই উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়ন, গ্রাম ও পৌরসভার অধীন এলাকায় ধান কাটার ব্যবস্থা করে কৃষকদের সাহায্য করবেন। এ প্রসঙ্গে পৌরসভা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বলেন, ‘রাঙ্গুনিয়ার কৃতী সন্তান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ যে কোনো মানবিক সংকটে সাধারণ মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। এছাড়াও তার অনুসারী নেতৃবৃন্দও তাকে অনুসরণ করে সাধারণ মানুষের পাশে থাকেন।’ তিনি বলেন, ‘এই দুর্যোগে মন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন কৃষকের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে কাজ করতে। তাই পৌরসভা কৃষকলীগের উদ্যোগে কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, ‘করোনা ভাইরাসের কারণে অর্থসংকটের পাশাপাশি শ্রমিক সংকটে চরম বেকায়দায় পড়েছেন কৃষকরা। তথ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কৃষকের এই সংকটে পাশে থেকে কৃষকলীগ মানবিকতার পরিচয় দেবে। পৌরসভা কৃষকলীগের সিনিয়র সহসভাপতি শামসুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাসেল রাসু, সহসভাপতি মো. মাহমুদুল ইসলাম রাসেল, উপজেলা যুবলীগ সদস্য মো. মহসিন প্রমুখের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি ইতিমধ্যেই কাজে নেমে পড়েছেন।

তথ্যমন্ত্রীর কাছে সাংবাদিকদের তালিকা হস্তান্তর

বাসস জানায়, করোনা ভাইরাস মোকাবিলাকালে সহায়তা চেয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের কাছে সাংবাদিকদের তালিকা হস্তান্তর করেন বিএফইউজে ও ডিইউজে নেতৃবৃন্দ। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম তপু এ তালিকা হস্তান্তর করেন।

তথ্যমন্ত্রী এ সময় বলেন, বিএফইউজে ও ডিইউজের পক্ষ থেকে সারাদেশের সাংবাদিকদের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে কীভাবে রেশনিংয়ের আওতায় আনা যায়, সেটি আমরা আলোচনা করেছি। একই সঙ্গে কীভাবে আর্থিক সহায়তা করা যায়, সেটিও আলোচনা হয়েছে। যেহেতু সাংবাদিকরা ঝুঁকির মধ্যে থেকে কাজ করছেন, সংবাদ পরিবেশন করছেন এবং করোনা মোকাবিলাতেও তারা কাজ করছেন, আমরা আশা করছি, শিগিগরই তাদের জন্য ইতিবাচক কিছু করতে আমরা সক্ষম হব। জাতীয় প্রেসক্লাবে ইতিমধ্যেই একটি ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু করা হয়েছে বলেও জানান ড. হাছান।

বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশন সভাপতি মো. মতিউর রহমান তালুকদার ও বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব নিউজ পেপার প্রেস ওয়ার্কার্স সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন খানও এ সময় মন্ত্রীর কাছে নিজ নিজ সংগঠন সদস্যদের তালিকা হস্তান্তর করেন। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।