করোনার জেরে বেকারত্ব সমস্যা বাড়াচ্ছে রোবট

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২০, ১৯:৩০

ভালোর জন্যই হোক বা মন্দের জন্য, ভবিষ্যতে মানুষের সব কাজ করবে রোবট। এমনটাই বলছে পরিসংখ্যান। তবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হল। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। অর্থনীতি কীভাবে নিজেদের দখলে নেবে রোবটরা, সে বিষয়ে অনেক লেখা প্রকাশ করেছেন মার্টিন ফর্ড। তিনি বলেছেন, ‘মানুষ স্বাভাবিকভাবে নিজেদের কাজের জন্য মানুষের সংস্পর্শ পছন্দ করে। কিন্তু করোনা সংক্রমণের জেরে মানুষের সেই পছন্দ বদলাচ্ছে।’ তিনি জানিয়েছেন করোনার থাবায় মানুষ, মানুষের স্পর্শ এড়িয়ে স্বয়ংক্রিয় সবকিছুর দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে। বড়-ছোট সব সংস্থাগুলোই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য এবং যাতে কম সংখ্যক কর্মী দিয়ে কাজ সারা যায়, তাই ভরসা রাখছেন রোবটে। রোবট ব্যবহারের দরুন এই সময়ে কর্মীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণেরও কোনো সুযোগ নেই তার সঙ্গে সামাজিক দূরত্ব বজায়েরও কোনো মাথাব্যাথা নেই। সর্বোপরি কম সময়ে বেশি কাজ করা সম্ভব।

ওয়ালমার্ট, আমেরিকার সবচেয়ে বড় খুচরা বিক্রেতা নিজের দোকানঘর পরিস্কার রাখার জন্য রোবট ব্যবহার করছেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় রোবট মনুষের শরীরের উত্তাপ পরিমাপ করছে তার সঙ্গে সঙ্গে স্যানিটাইজার বিতরণ করছে। যা দেখে হলফ করে বলাই যায় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরো বেশি সংখ্যক রোবট এইসব কাজে নিযুক্ত হবে। ২০২১ সালের মধ্যেই সারাবিশ্বে রোবটের প্রয়োজনীয়তা একটি বড় জায়গায় যেতে পারে। ইউভিডি রোবট নির্মাতা সংস্থা, স্কুল, কলেজ, হাসপাতালে নিজেদের রোবট পাঠাচ্ছে। এই রোবটই করবে এইসব জায়গা পরিস্কারের কাজ। বিক্রেতার কথা অনুযায়ী, ক্রেতারা এখন আরও বেশই স্বাস্থ্য সচেতণ হয়েছেন। মানুষের মাধ্যমে ছড়াতে পারে যেকোনো রোগ। তাই রোবটেই ভরসা।