গুরুদাসপুর (নাটোর) সংবাদদাতা
ধান কাটতে হাওড়সহ আট জেলায় পাঠনো হয়েছে শ্রমিক। কাস্তে ও মাথাল নিয়ে এসেছেন ১ হাজার শ্রমিক। যাবেন ধান কাটতে। শ্রমিক দল নেতাদের হাতে দেওয়া হয়েছে কর্মস্থলের নাম সংবলিত প্ল্যাকার্ড। গুরুদাসপুর কৃষি অফিসে আবেদনের মাধ্যমে এসব শ্রমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর ধানকাটার জন্য মনোনীত হয়েছেন। মনোনীত এসব শ্রমিককে বুধবার বাসযোগে সরকারিভাবে সিরাজগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, গাজীপুর, নাটোর ও হাওড় অঞ্চলসহ দেশের আটটি জেলায় পাঠানো হয়েছে। পথে যাতে সমস্যা না হয় সেজন্য শ্রমিকদের দেওয়া হয়েছে কাজের অনুমতিপত্র। কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম বলেন, কৃষকের পাকা ধান কাটতে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তমাল হোসেন শ্রমিক আহ্বান করে প্রচারণা চালিয়েছেন। প্রচারণার পর শ্রমিকরা স্বেচ্ছায় কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ভোটার আইডি কার্ড নেওয়া হয়। আবেদনকারীদের গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ১ হাজার শ্রমিক মনোনীত হন। মনোনীত শ্রমিকদের উপজেলা প্রশাসন থেকে দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য সনদ। গুরুদাসপুর থানার পক্ষ থেকে ওসি মো. মোজাহারুল ইসলাম দল নেতাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রীও দিয়েছেন। গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাহারুল ইসলাম বলেন, হাওড়সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এখন ধান পেকেছে। কিন্তু করোনা মাহমারিতে ধানকাটা শ্রমিক পাচ্ছেন না কৃষকরা। এ কারণে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণা চালিয়ে কৃষি অফিসের মাধ্যমে শ্রমিক সংগ্রহ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তমাল হোসেন বলেন, ঐ শ্রমিকরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ধান কাটবেন।
