দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের চাষি, খামারি এবং উদ্যোক্তাদের উত্পাদিত মাছ, দুধ, ডিম ও পোলট্রি বাজারজাত করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশন, উদ্যোক্তা ও খামারিদের সহযোগিতায় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।
করোনা পরিস্থিতিতে বাজারজাতকরণ সংকটে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত উত্পাদক, খামারি ও উদ্যোক্তাদের কথা মাথায় রেখে এবং ভোক্তাদের প্রাণিজ পণ্য প্রাপ্তির চাহিদা বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে মত্স্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে পাঠিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। নির্দেশনা পত্রটি সকল জেলা প্রশাসকদের বরাবরও পাঠানো হয়েছে।
করোনা সংকটে সরবরাহ চেইন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় উত্পাদিত প্রাণিজ পণ্যের সুষম বণ্টনের অভাবে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ভোক্তাগণ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া উত্পাদকরাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ বিষয়টি মাথায় রেখে ইতিমধ্যে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও ফরিদপুরে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ও জেলা প্রণিসম্পদ বিভাগের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পিকআপ, কুল ভ্যান ও অটোরিকশাযোগে প্রান্তিক পর্যায় থেকে দুধ ও ডিম সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংগ্রহীত পণ্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্র চালু করে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে খামারি ও উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি ভোক্তাগণ উপকৃত হচ্ছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের এ ধরনের কার্যক্রম প্রশংসিত হওয়ায় এর আদলে প্রান্তিক পর্যায়ে উত্পাদিত মাছ, দুধ, ডিম ও পোলট্রি বাজারজাত করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
