আগৈলঝাড়ায় ১০টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:৫৯

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা জানান, উত্সবমুখর পরিবেশে ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য বরিশাল-১ আসনের আগৈলঝাড়া উপজেলার ৫০টি ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে যাচ্ছে ব্যালট পেপার, অমোচনীয় কালিসহ নির্বাচনী বিভিন্ন সরঞ্জাম। শনিবার সকালে থানা চত্বরে জেলা পুলিশ সদস্যদের নির্বাচনী কাজে করণীয় বিষয়ে ব্রিফিং-এর পর পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা প্রিসাইডিং অফিসারসহ পৌঁছে যাচ্ছে কেন্দ্রগুলোতে। এদিকে জনগণের নিরাপত্তা দিতে সেনা, বিজিবি, র্যাব সদস্যরা টহল দিচ্ছে সমগ্র এলাকায়।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস জানান, উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে ৫৬১৪৫জন পুরুষ ভোটার ও ৫৬০৪০জন মহিলা ভোটারসহ মোট ভোটার সংখ্যা ১,১২,১৮৫ জন। উপজেলায় মোট ৫০টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে নিরাপত্তার জন্য ওই কেন্দ্রগুলোতে সর্বাধিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়োজিত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ভোটের দিন নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে উপজেলার সকল ভোট কেন্দ্রগুলো। সর্বাধিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠানে। ১০ জন করে পুলিশ সদস্য নিয়ে গঠিত প্রতি ইউনিয়নে দুইটি করে ১০টি মোবাইল টিম, সাত সদস্যের ২টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, ২০ সদস্যের বিজিবি সদস্যদের দুইটি স্ট্রাকিং ফোর্স, ১৬জন র্যাব সদস্যের স্ট্রাইকিং ফোর্স আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের সার্বিক নিরাপত্ত প্রদানে নিয়োজিত রয়েছে।  নির্বাচনী অপরাধে তাত্ক্ষণিক বিচারের জন্য তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মধ্যে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী থাকবে রিজার্ভ। এ ছাড়াও সাদা পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ মাঠে থাকবে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। সকাল ১১টা থেকেই উপজেলা সদর থেকে প্রত্যেক ভোট কেন্দ্রের মালামাল নিয়ে প্রিসাইডিং অফিসাররা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে কেন্দ্রের  উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আফজাল হোসেন জানান, অবাধ, সুষ্ঠু ও সকলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে ভোট গ্রহণের জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরপেক্ষ থেকে সার্বিক কাজ করবেন।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস জানান, নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সকল জনগণের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থেকে নির্বিঘ্নে ভোট গ্রহণে দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচন মনিটরিং করতে উপজেলায় খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।