ফরিদপুর-২ আসনে নবীন প্রবীণ নারীর লড়াই

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২:০৩

ফরিদপুর-২ আসনে এবার মূল লড়াই হবে নবীন ও প্রবীণ দুই নারী নেত্রীর মধ্যে। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা ৮২ বছর বয়সী প্রবীণ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সঙ্গে লড়ছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তরুণ নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। এ ছাড়াও এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী কেএম ছরোয়ার হোসেন হাতপাখা প্রতীক ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন বকুল মিয়া বটগাছ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা, সালথা উপজেলা ও সদরপুরের কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন) নিয়ে এ আসন গঠিত। নির্বাচনী আসন জুড়ে চলছে ভোটের ইমেজ। জোরেশোরে চলছে প্রার্থীদের প্রচারণা। উঠান বৈঠক, পথসভা, ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে প্রার্থী ও তার সমর্থকরা চালাচ্ছে নিজ নিজ প্রচারণা। ভোটাররাও বাজারে, চায়ের দোকানে, রাস্তায়, মাঠে সর্বক্ষেত্রে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী অসুস্থজনিত কারণে মাঠে না থাকলেও আওয়ামী লীগের উন্নয়নের বার্তা নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তার রাজনৈতিক প্রতিনিধি ও কনিষ্ঠপুত্র শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী।

অন্যদিকে বিএনপির সাবেক মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত কেএম ওবায়দুর রহমানের কন্যা কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু পিতার আদর্শ নিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তির লক্ষে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। তবে শামা ওবায়েদ অভিযোগ করেছেন তাদের প্রচারে বিভিন্নভাবে বাধা, সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানোসহ হয়রানি করছে। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, তার কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা ও গণগ্রেপ্তার করছে। ভোটারেরা অনেকেই বলেছেন প্রবীণ নেত্রী সাজেদা চৌধুরী এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছে। তা ছাড়া তার শেষ বয়সে তাকেই বিজয়ী দেখতে চাই। অনেকেই আবার জানিয়েছেন প্রয়াত কেএম ওবায়দুর রহমানও এলাকায় উন্নয়ন করেছেন, এলাকার অনেক বেকার যুবকদের চাকরি দিয়েছেন তার কন্যা শামা ওবায়েদ। তরুণ নেত্রী বাবার আদর্শ তার মধ্যে দেখা যায় তাই তাকেই বিজয়ী করতে চায়। তবে মূল হিসেব রয়েছে নবীন ভোটারদের মাঝে। নবীন ভোটারদের দাবি যাকে দিয়ে কর্মসংস্থান হবে এবং যুব সমাজ থেকে মাদক দূর করবে আমরা তাকে বিজয়ী করবো।