বরাবরের মতো রমজানের আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। করোনার কারণে এমনিতেই বাজার পরিস্থিতি নাজুক ছিল। সেটার আরো অবনতি হচ্ছে। সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ছে। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।
তারাগঞ্জ (রংপুর) সংবাদদাতা জানান, রংপুরের তারাগঞ্জের বিভিন্ন হাটবাজারে চাল, ডাল, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, ছোলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি ও এক-দুই দিনের মধ্যে আসন্ন রোজার মাসকে সামনে রেখে এ দাম বেড়েছে বলে জানা গেছে। তবে সবজির দাম কম। গতকাল বৃহস্পতিবার তারাগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহ আগে যে মোটা চাল ৩২ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে, তা বেড়ে বর্তমানে ৪৫ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আদা প্রতি কেজি ১৩০ টাকার স্থলে ২৮০ টাকা, পেঁয়াজ ৩৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা, রসুন ৫০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, ছোলা প্রতি কেজি ৭০ টাকা থেকে ৯০ টাকা, মসুর ডাল ৯০ থেকে ১১০ টাকা ও গরুর মাংস ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, বাজার মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে।
ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা জানান, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য দিন দিন বেড়েই চলছে। ফলে খেটে খাওয়া মানুষ কষ্টে আছে। সরজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর দাম স্বাভাবিক রাখতে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশনা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে তা কার্যকর হচ্ছে না। উপজেলা সদরের বাজারসহ রুপসা, চান্দ্রা, গাজীপুর, মুন্সিরহাট, ফিরোজপুর, রামপুর, গৃদকালিন্দিয়া, নয়াহাটসহ সব বাজারেই ব্যবসায়ীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বাড়তি মূল্যে পণ্য বিক্রি করে চলছে। বাজারে প্রতি বস্তা চালের মূল্য ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও ছোলা, খেসারির ডাল, আদা, সয়াবিন তৈল, মুড়িসহ প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম বেড়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানায়। এ বিষয়ে উপজেলা র্নিবাহী কর্মকর্তা শিউলী হরি বলেন, কী কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে, তা আমরা খতিয়ে দেখছি এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বলতে পারব। যদি কেউ অহেতুক দাম বাড়িয়ে থাকে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
