পাঠকের দৃষ্টিতে করোনা পরিস্থিতি

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২০, ০০:৩৮

করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে দেশব্যাপী। সবাই কি স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনাবলি মেনে চলছেন? নিজ নিজ এলাকার পরিস্থিতি কেমন? এই ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে পাওয়া পাঠকদের অভিমত প্রকাশিত হলো আজ

আমার মতে, অধিকাংশ মানুষই নির্দেশাবলি মেনেই চলছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ব্যবসা বন্ধ, পেট তো আর লকডাউন বোঝে না। কারো বা একটু অবস্থা ভালো, কারো বা মন্দ। লকডাউন থাকলে কী হবে, পেটটাকে তো আর লকডাউন রাখা যায় না। এজন্য প্রশাসনের ভয়ে কেউ কেউ চোরের মতো হাফডাউন করে ব্যবসা চালাচ্ছে। আর অনেক গ্রামে লকডাউনের প্রভাব এখনো পড়েনি। সেখানে চলছে ব্রেকডাউন।  ঈদের মতো গ্রামের দৃশ্য, আনন্দ আড্ডা হইহই-রইরই, রাস্তার ওপরে ভিড় আর বেহিসাবি চলাফেরা। একটি কথা না বললেই নয়, তা হলো সামাজিক দূরত্ব না মানলেও শারীরিক নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেই চলাফেরা করছি।

মনোজ কুমার বিশ্বাস

বিশ্বাস ফার্মেসি, ল্যাম্ব হাসপাতাল বাজার, পার্বতীপুর, দিনাজপুর

বাংলাদেশে নভেল করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবলীলা দিন দিন ভয়াবহ হচ্ছে। ৮ মার্চ প্রথম শনাক্তের পর মাত্র দেড় মাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার অতিক্রম করেছে। আর তিন অঙ্কের ঘর পেরিয়েছে মৃত্যু। পাহাড়ি জনপদ বান্দরবানেও থাবা বসিয়েছে প্রাণঘাতী এ ভাইরাস। দুই উপজেলায় ৩ জন শনাক্ত। সদর হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ড লকডাউন করা হয়েছে। এর অন্যতম কারণ, উপসর্গ গোপন করে চিকিত্সা গ্রহণের চেষ্টা। এছাড়া সরকারের কঠোর নির্দেশনা অমান্য করে খোদ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কতিপয়ের লুকোচুরি খেলাও থেমে নেই।

আবু ফারুক

সহকারী শিক্ষক, ভাগ্যকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর, বান্দরবান

অন্য দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বিবেচনা করলে দেখা যাবে প্রথম জন শনাক্ত হওয়ার পর পরের ২-৩ সপ্তাহ আক্রান্তের সংখ্যা খুব বেশি পাওয়া যায়নি। কিন্তু মাস দেড়েকের মাথায় হঠাত্ আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। সেদিক থেকে দেখলে আমরা বড়ো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বে বিভিন্ন দেশ মূলত যে দুটি কৌশল নিয়েছে তা হচ্ছে লকডাউন ও ব্যাপক মাত্রায় পরীক্ষা। দুটির কোনোটিই তো আমরা যথাযথভাবে করিনি। আমার মনে হয় বিষয়টি আমরা যথাযথভাবে অনুধাবন করতে পারিনি। আমাদের হাতে অনেক সময় ছিল।

অমিত বণিক

উত্তরা, ঢাকা

লকডাউন অবস্থায় বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি এরকম যে দেশের সব স্থান লকডাউন করে দেওয়ার শর্তেও অভ্যন্তরে যে মানুষের থাকা দরকার সে বিধিটা তারা মানছে না। অন্যদিকে মুটে-মজুররা এতদিন নীরবে নিভৃতে থাকলেও তারা এখন অর্থ এবং খাদ্যের জন্য বেরিয়ে পড়ছে। সরকারি ত্রাণগুলো ভালোভাবে পৌঁছাচ্ছে না সব জায়গায়। এর মধ্যে চাল-ডাল চুরিসহ বিভিন্ন ঘটনা ঘটছে। এই মুহূর্তে আমরা যদি সচেতন না হতে পারি তাহলে ভবিষ্যতে আমাদের খুব বড়ো জরিমানা দিতে হবে বা খুব খারাপ সময়ের সম্মুখীন হতে হবে।  

সাবরিনা সুলতানা

ন্যাশনাল কলেজ অব হোম ইকনোমিক,

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

করোনা এমনই একটি মহামারি সংক্রমণ যা কখনোই কাউকে করুণা করে না। প্রতিদিনই লম্ব্বা হচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃত্যুর সংখ্যা। আর এই সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হচ্ছে সচেতনতার অভাব এবং নির্দেশনার অপব্যবহার। বাংলাদেশের জনগণ এখনো তাদের নিত্যকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন এবং স্বল্প আয়ের লোকজন খাদ্যের জন্য মানুষের  দ্বারে দ্বারে কিংবা রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো আশাব্যঞ্জক ঘটনা নয়।

ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা

মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই মহাপ্রলংয়করী  মহামারি করোনা ভাইরাস সংকট আপনি যেভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম ও বিচক্ষণতার সঙ্গে মোকাবিলা করছেন তা জাতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে। কিন্তু কিছুসংখ্যক চোর-বাটপারের কারণে কোনো বিতর্কই কাম্য নয়। দেশের সাধারণ মানুষের এই দুঃসময়ে যারা জনগণের ত্রাণসামগ্রী আত্মসাতে নিয়োজিত এরা আর যাই—হোক  দল ও জনগণের শত্রু।

মো.মজিবুর রহমান

৩৪, নাজিম উদ্দিন রোড, ঢাকা

করোনা ভাইরাসে সবাই আতঙ্কিত এখন। আর ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার বিশেষ কারণ হচ্ছে লকডাউন মানা হচ্ছে না। বিশেষ করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কেরানীগঞ্জ, নরসিংদী ইত্যাদি এখন করোনা সংক্রমিত স্থান। মানুষের যত্রতত্র চলাচল ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার ফলেই এ সংক্রমণ বেড়েছে। তাই উক্ত পরিস্থিতিসহ গোটা দেশে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন লকডাউন মেনে চলা ও স্বাস্থ্যবিধিকে যথাযথভাবে পালন করা।

মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদউল্লাহ

স্টেডিয়াম সড়ক, সদর, ফেনী

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় এ সময়ে সাময়িকভাবে দূরত্বে থাকতে হবে। মানসিক শক্তি বাড়াতে হবে। আক্রান্ত সবার হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাঞ্ছনীয়।

আনতারা

ইডেন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়,

আজিমপুর, ঢাকা

করোনার কারণে পরিস্থিতি যা-ই হোক দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে। বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি অব্যাহত না থাকলে আমাদের দেশের অর্থনীতির চরম বিপর্যয় ঘটবে। করোনার পরিস্থিতি সচেতনতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে হলে দেশের মানুষকে আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে আসতে হবে। বিশ্বের মধ্যে ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্যে করোনার ভয়াবহতা শুরু হয়েছে ব্যাপকহারে। হয়তো আর কিছুদিন পর ঐ সব দেশের মানুষ না খেয়ে মারা যাবে। সে ক্ষেত্রে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বাংলাদেশে এবার খাদ্যশস্য উত্পাদন হচ্ছে সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন। আমরা খাদ্য সংকটে পড়ব না। আমরা নিজ নিজ সচেতনতা বাড়াব, তাহলে আগামীতে পরিস্থিতি অনেক ভালো দেখা দিবে।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

দেশের এই ক্রান্তিকালেও করোনা সংক্রমণের ভয়ডরহীন একশ্রেণির মানুষকে দেখা যায় পুলিশ প্রশাসনসহ সরকারি কার্যক্রম নিয়ে গোল মিটিং করতে। টিসিবির ভোগ্যপণ্য বিক্রয় স্থলেও দেখা মেলে জনসমাগমের, যা মোটেই কাম্য নয়।

মো. আল-আমিন ইসলাম

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর

মানুষের যদি বিবেক বুদ্ধি ও সচেতনতা না থাকে তাহলে সরকার ও প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে কোনো লাভ হবে না। তাই আমাদের উচিত করোনা ভাইরাসের নিয়মবিধি মেনে চলা।

রিফাত

শান্ত মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরা, ঢাকা

আমাদের দেশে এখন দিন দিন বাড়ছে এই সংক্রমণ। যদিও এর কোনো প্রতিষেধক এখন পর্যন্ত আসেনি, তবে চেষ্টা চলছে। আমরা আশা করি, খুব দ্রুত এর প্রতিষেধক আবিষ্কার হবে।

মো. মেজবাহ উদ্দিন সেলিম

ইব্রাহিমপুর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা

বাংলাদেশে হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কিন্তু অনেকেই গ্রাম কিংবা শহর সর্বত্রই সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যততত্র সামাজিক দূরত্ব ভঙ্গ করছে। এর ফলে কমিউনিটি সংক্রমণের ঝুঁকি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। তবে, করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত রোগীর সঙ্গে যেভাবে অবহেলা ও পদে পদে হয়রানি করা হচ্ছে তা একদিকে যেমন অনভিপ্রেত ঠিক তেমনিভাবে দুঃখজনক বটে। শুধু করোনা রোগী নয়, এ রোগের চিকিত্সার সঙ্গে যেসব স্বাস্থ্যসেবী রয়েছেন তাদের সঙ্গে সামাজিক বৈষম্য ও পদে পদে হেনস্তা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা নিজ পরিবারের সদস্য ও অতি নিকট জনের কাছ থেকেও প্রত্যাশিত আচরণ পাচ্ছে না। শক্তি ও সাহস জোগানোর পরিবর্তে এ ধরনের হয়রানি ও প্রতিবন্ধকতা ভুক্তভোগীকে কঠিন পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং তার বেঁচে থাকার সাহস ও শক্তি বহুলাংশে কমিয়ে দিচ্ছে। এমনকি যারা করোনা ভাইরাসে মারা যাচ্ছে তাদেরকেও কবরস্থ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। করোনা রোগী, স্বাস্থ্যসেবী, মৃত ব্যক্তি এদের সবাইকে অনেকে সমাজের বিপদ মনে করছে যা খুবই দুঃখজনক।

মো. জিল্লুর রহমান

ব্যাংকার ও লেখক, সতীশ সরকার রোড,  গেন্ডারিয়া, ঢাকা

করোনাকে প্রথমে ভাবা হয়েছিল স্বাস্থ্য সমস্যা, পরে দেখা গেল হাজারো মানসিক জটিলতাকেও বাড়াচ্ছে এ ভাইরাস! জীবনের সব ক্ষেত্রকেই সংক্রমিত করার ক্ষমতা রাখে করোনা। দুঃখ-কষ্ট বাড়ে, অভাব বাড়ে, অস্থিরতা ও নৈরাজ্য বাড়ে, অন্যায়ও বাড়ে। তাই শুধু হাত ধুলে আর মাস্ক পরলে এ থেকে রেহাই মিলছে না। লকডাউন যদি মানুষ না মানে, যদি ডাক্তারদের জন্য সরবরাহ করা মাস্ক নকল হয়, যদি ত্রাণের চাল চুরি করে কর্তারা, যদি রোগী ডাক্তারের কাছে তথ্য গোপন করে, সরকার যদি স্বচ্ছতার নীতি শিকেয় তোলে, ধর্মীয় নেতারা লাখো মানুষের জমায়েত আহ্বান করে, তাহলে শুধু হাত ধুয়ে কী লাভ বলুন?

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

শহরাঞ্চল ছাড়া স্থানীয় এলাকায় তেমন কোনো তদারকি করা হচ্ছে না। তদারকি করা হলেও সাধারণ মানুষের করোনায় দেশের পরিস্থিতি নিয়ে এত মাথা ঘামাচ্ছে না। তাদের যে সময় ইচ্ছে হয় ঘরের বাইরে গিয়ে ঘুরে আসছে। যাদের ঘর নেই, যারা নগরীর ফুটপাতে বা টার্মিনালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাত কাটায় বা যারা দিন আনে দিন খায় এমন নিম্ন আয়ের মানুষের অবস্থা খুবই করুণ।

সাদিয়া সুলতানা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাভার, ঢাকা

হায়রে করোনা দিলি কত যন্ত্রণা। ঘরের ভেতর বন্দি, দেখি না বাইরের কোনো কিছু। শুয়ে শুয়ে করি স্বজনদের নিয়ে ভাবনা। করোনা যেভাবে বিস্তার লাভ করেছে সারাবিশ্বে, তার ক্ষতচিহ্ন দুঃখী বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলার চেয়েও মারাত্মক। করোনা ভাইরাসের ক্ষতচিহ্নের পর আমাদের বাংলাদেশ দুর্ভিক্ষের কবলে পতিত হতে পারে। পেটের ক্ষুধায় বাচ্চাদের অন্ন না দিতে পেরে এক মা তার চুল বিক্রি করে বাচ্চাদের মুখে অন্ন তুলে দেন।

খন্দকার কামরুজ্জামান

৩৬৩/১০, উত্তর পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা

করোনো ভাইরাসে দুনিয়া জুড়ে আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিত্সক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, সাংবাদিকসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। মানুষের অসচেতনতার কারণেই এই ভাইরাস দিন দিন বেড়েই চলেছে।  প্রত্যেক এলাকায় জনকল্যাণ সংঘ, সেবাদান প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সংগঠনসহ মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে নির্দেশনাবলী মেনে চলার বিষয়টি জনগণকে জানাতে হবে। তাহলে লকডাউন সত্যিকারভাবে সার্থক হবে।

বজলুল

রিসোর্স ইন্ট্রিগেশন সেন্টার (রিক), ধানমন্ডি, ঢাকা

আমাদের দেশে লকডাউন বিষয়টি একটি সম্পূর্ণ নতুন ধারণা। এর আগে মানুষ কার্ফু দেখেছে, ১৪৪ ধারা আরোপ দেখেছে। এমনকি অবরোধও দেখেছে। কিন্তু লকডাউন দেখেনি। যার কারণে মানুষ এ বিষয়টি পুরোপুরি বুঝতে পারেনি অথবা গ্রহণ করতে পারছে না। এজন্য এর ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচার-প্রচারণা এবং মানসিক শক্তিকে উত্সাহিত করা প্রয়োজন।

মাখরাজ খান

সাঁটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

WHO-এর স্বাস্থ্যবিধির কথা ও দেশের প্রচলিত কর্মসূচিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে মেনে আমরা লকডাউন বিষয়টি যথাযথভাবে পালন করি। তাহলেই আমরা ইনশাল্লাহ্ খুব দ্রুত করোনা পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাব।

অ্যাড. এস কে মো. রমিজউদ্দিন

শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা

আমাদের জানামতে, ১৯১৮-১৯ সালে কথিত স্প্যানিশ ফ্লুতে বিশ্বে ৫ কোটির বেশি লোক মারা গিয়েছিল। সেই মহামারির পর কোভিড-১৯ এর মতো এত ভয়াবহতা নিয়ে কোনো মহামারি আসেনি। আর এই মহামারি দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর জন্য প্রয়োজন আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও মহান রাব্বুল আল আমিনের কাছে প্রার্থনা করা। যেন এই মহামারি থেকে সারাবিশ্ব মুক্তি পায়।

মারুফুজ্জামান মারুফ

খিলগাঁও, ঢাকা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ইতিমধ্যে এক জন আক্রান্ত হয়েছে। ঘাটাইল লকডাউন করা হয়েছে। সরকারিভাবে বারবার সচেতন করা হলেও গ্রামের মানুষ এখনো অসচেতন। কৃষিপণ্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা। মাঠেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফসল। পানির দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। দুশ্চিন্তায় নিম্ন আয়ের মানুষ। পেটের দায়ে তারা ঘরের বাইরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। অনেক দরিদ্র মানুষ ত্রাণ সহযোগিতা পাননি।  আশা করি, জনপ্রতিনিধিরা দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসবেন।

মো. মমিন সরকার

ঘাটাইল, টাঙ্গাইল