বিজয়ের মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মহাজোটেরই বিজয় হবে :কাদের

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২:৪১

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি বিজয়ের মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নৌকা বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবেই এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন করবে। সারা দেশে নির্বাচনের শান্তিময় ও উত্সবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে আসবে বিনা বাধায়। কাজেই জয়ের ব্যাপারে আমাদের কোনো সন্দেহ নেই।

গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বিভিন্ন রকম  প্রচার-প্রচারণা চলছে নির্বাচনে সহিংসতা হতে পারে—এমন আশঙ্কার জবাবে মন্ত্রী বলেন, শঙ্কা ছিল নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি-না। তবে শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। যেবার বেশি শঙ্কা থাকে, সেবার অনেক বেশি শান্তিময় ও সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মেঘ থাকে, কিন্তু শেষ মুহূর্তে মেঘ কেটে যায়। আমার মনে হয় ঈশান কোণে কালো মেঘের যে আনাগোনা ছিল, সেটা অনেকটাই কেটে গেছে। আশা করি বাকিটাও কেটে যাবে। মন্ত্রী বলেন, দলীয় সরকারের সহযোগিতায় অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো এ দেশেও নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে। সরকারের অধীনে নয়। নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ, প্রশংসনীয়, গ্রহণযোগ্য ও অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করছে বর্তমান সরকার।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় সন্তুষ্ট কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা মোটামুটি সন্তুষ্ট। তবে নির্বাচন কমিশনের মাঝে ভিন্নমত থাকতেই পারে। নির্বাচন কমিশন তো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নয় যে, কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গেলে ৫ সদস্যকে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হয়। কমিশনের মাত্র একজন ভিন্নমত পোষণ করলেও অন্য চারজনের সংখ্যাগরিষ্ঠতায় কোনো সিদ্ধান্ত আটকে যেতে পারে না। সেদিক থেকে আমি মনে করি সঠিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট বলেছে, ভোট কেন্দ  পাহারা দেবে। আপনারাও বলছেন, ভোটকেন্দ  পাহারা দেবেন— এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাহারা কথাটা কোত্থেকে এসেছে? যেখানে ভোটকেন্দে  আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং তাদের সাথে সেনাবাহিনীও সহযোগী ভূমিকা পালন করছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রথমে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট থেকে বলা হয়েছে, তারা ভোট কেন্দ  পাহারা দেবে। সে কারণে আমাদের দল থেকে আমি বলেছিলাম, আমরাও একটা পক্ষ। আমাদেরও দায়িত্ব আছে, আমরাও ভোটকেন্দ   রক্ষা করতে কেন্দে  থাকবো।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এই নির্বাচনে জনগণের মতামতের শতভাগ প্রফিলন ঘটবে। জনগণ ভোট দিতে আসবে বিনা বাধায়। অতীতে দেখা গেছে যে ভোটকেন্দ  ভোটার শূন্য ছিল। এ ধরনের পরিস্থিতি এবার আর হবে না। এবার বিপুল সংখ্যক ভোটারদের উপস্থিতিতে উত্সবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।