পাকিস্তানে গতকাল শনিবার থেকে শুরু হয়েছে রোজা। করোনা প্রকোপ থাকলেও সামাজিক দূরত্ব না মেনে দেশটিতে রোজা উপলক্ষ্যে মসজিদ এবং বাজারে মানুষের ভিড় দেখা গেছে। এমনটি জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি। যদিও রমজানে মসজিদ খোলা নিয়ে সরকারের বিরোধিতা করেছে পাকিস্তানের চিকিৎসকদের সংগঠন।
এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জানিয়ে দিয়েছেন, পাকিস্তানে অন্যান্য দেশের মতো লকডাউন জারি করা সম্ভব নয়। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আগামী ১৫ দিনকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে জনগণকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর এ আহ্বানে সাড়া দিচ্ছেন না দেশটির জনগণ।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের লাহোর, পেশোয়ার, ইসলামাবাদসহ বিভিন্ন শহরে ইফতার বাজারে লোকজন ভিড় করছে কোন রকম সুরক্ষা ছাড়াই। এ নিয়ে পাকিস্তানের ২৭ বছর বয়সী যুবক মুনিব খান বলেন, মাস্ক এবং গ্লাভস পরতে পরতে আমি বিরক্ত হয়ে গেছি। কতদিন আর ওগুলো পরবো।
পাকিস্তানের জনগণের এমন হঠকারি কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তান সরকারের বিশেষ স্বাস্থ্য উপদেষ্টা জাফর মির্জা। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এগুলো নির্দেশনার বাইরের কাজ।
এ নিয়ে পাকিস্তানের চিকিৎসকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে বলা হয়, পাকিস্তান করোনা ভাইরাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়টি পার কছে এবং আমরা যদি এটি প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা না নেই তাহলে এটি খুব দ্রুত বাড়বে।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জুলাইয়ের মধ্যে পাকিস্তানে করোনার আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়াতে পারে।
পাকিস্তানে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১২ হাজারের বেশি। মারা গেছেন ২৫৬ জন।
ইত্তেফাক/এআর
