স্পোর্টস ডেস্ক
যুবরাজ সিং নিজেই স্মৃতিটাকে টেনে বের করে আনলেন। সেদিন অ্যান্ড্রু ফ্লিন্টফের স্লেজিং তাতিয়ে দিয়েছিল যুবরাজকে। মুখে জবাব দেওয়ার পর চাইছিলেন ব্যাটেও কড়া জবাব দিতে। সামনে পেয়েছিলেন ব্রডকে। এই পেসারের ওভারেই ভারতীয় ব্যাটসম্যান মেরেছিলেন ছয় ছক্কা।
৩৮ বছর বয়সি সাবেক অলরাউন্ডার বিবিসি রেডিওর কাছে স্মৃতিচারণ করলেন ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছয় ছক্কার কীর্তি নিয়ে। ডারবানে বিশ্বকাপের সুপার এইটের সেই ম্যাচে যুবরাজ করেছিলেন দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। ১২ বলে পৌঁছান মাইলফলকে। সেই তাণ্ডবের রহস্য ভেঙে যুবরাজ সিং বলেন, ‘ফ্রেডি (ফ্লিনটফের ডাকনাম) তো ছিল যথারীতি তার মতোই, সে কিছু কথা শুনিয়েছিল, আমিও জবাব দিয়েছিলাম। ছয় ছক্কা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আসায় বেশি খুশি হয়েছিলাম। কারণ এর কিছুদিন আগেই একটি ওয়ানডেতে দিমিত্রি মাসকারেনহাস আমাকে পাঁচটি ছক্কা মেরেছিল।’ ফ্লিনটফ আরো বলেন, ‘ষষ্ঠ ছক্কা হাঁকানোর পর স্বাভাবিকভাবেই আমি প্রথমে তাকিয়েছিলাম ফ্লিনটফের দিকে। এরপরই তাকাই দিমিত্রির দিকে, সে জবাব দিয়েছিল হাসিতে।’ ১৬ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের ইনিংস খেলে সেদিন ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন যুবরাজ। ২১৮ রান তুলে ভারত ম্যাচ জিতেছিল ১৮ রানে। যুবরাজ জানালেন, সেই ছয় ছক্কা নিয়ে ব্রডের সঙ্গে তার খোঁচাখুঁচি, মজা চলে সব সময়ই। ঐ ম্যাচের পর যুবরাজের কাছ থেকে উপহারও পেয়েছিলেন ব্রড।
যুবরাজ বলেন, ‘ওর বাবা, ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড পরের দিন তিনি আমার কাছে এসে বললেন, ‘আমার ছেলের ক্যারিয়ারটা তুমি প্রায় শেষ করে দিয়েছ, এখন তোমাকে তার জন্য একটা স্বাক্ষর করা জার্সি দিতে হবে। আমি আমার ভারতীয় দলের জার্সি দিলাম এবং স্টুয়ার্টের জন্য লিখলাম, ‘আমি পাঁচ ছক্কার শিকার হয়েছিলাম, তাই জানি এর অনুভূতি কেমন। ইংল্যান্ড ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য শুভ কামনা।’
