ফেনীর দাগনভূঁঞা, ভোলার চরফ্যাশন, ঢাকার দোহার এবং ঝিনাইদহে করোনার উপসর্গ নিয়ে অরো চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এপর্যন্ত করোনার উপসর্গ নিয়ে দেশে মোট ১৮৪ জন মারা গেল। পরশুরাম সংবাদদাতা জানান, ফেনীর দাগনভূঁঞায় জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক ব্যক্তির (৪৫) মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকালে দাগনভূঁঞা পৌর শহরের নামার বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় তার মৃত্যু হয়। তার গ্রামের বাড়ি একই উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের সেকান্তরপুর গ্রামে। বেশ কয়েক দিন ধরে জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভোগেন ঐ ব্যবসায়ী। তাকে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে আইইডিসিআরে যোগাযোগ করতে বলা হয়। আইইডিসিআরের হটলাইন নম্বরে বার বার চেষ্টা করেও সংযোগ পায়নি তার পরিবার।
চরফ্যাশন (ভোলা) সংবাদদাতা জানান, ভোলার চরফ্যাশনের আমিনাবাদ ইউনিয়নের হালিমাবাদ গ্রামে রবিবার সকালে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ—জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মাহমুদা বেগম (৫০) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল অবস্থার অবনতি হলে চরফ্যাশন হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন বসাক এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি জানান, রবিবার ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়ে শিপন নামে ১৪ বছর বয়সের এক কিশোর মারা গেছে। সে শৈলকুপা উপজেলার গোলকনগর গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে। করোনা সন্দেহে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আইয়ুব আলি জানান, কয়েক দিন আগে জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত ঐ প্রতিবন্ধী কিশোর হাসপাতালে ভর্তি হয়।
দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা জানান, ঢাকার দোহারে করোনার উপসর্গ নিয়ে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, মারা যাওয়া ঐ ব্যক্তির লাশ আইইডিসিআরের নিয়মানুযায়ী দাফন করা হবে।
