শেকৃবির ফ্যাব ল্যাবে তৈরি হচ্ছে ‘ফেস শিল্ড’

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২০, ২১:১৩

শেকৃবি সংবাদদাতা

চোখ, নাক ও মুখ দিয়ে করোনা জীবাণুর সংক্রমণ ঠেকাতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চিকিত্সকসহ স্বাস্থ্যকর্মীরা ‘ফেইস শিল্ড’ ব্যবহার করলেও বাংলাদেশি স্বাস্থ্যকর্মীদের তা খুব একটা ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে না। ফলে পিপিই, মাস্ক পরার পরেও ফেইস শিল্ড না থাকায় ঝুঁকিতে রয়েছেন করোনা রোগীদের সেবায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীরা। এ পরিস্থিতিতে ফেইস শিল্ড তৈরি হচ্ছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাব ল্যাবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের চিকিত্সাক্ষেত্রকে আরো সুরক্ষিত করতে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তারা ফেইস শিল্ড তৈরির কাজ করছেন।

ফ্যাব ল্যাব সূত্রে জানা যায়, উত্পাদন খরচেই ফেইস শিল্ডগুলো বিক্রি হচ্ছে। মান অনুযায়ী এদের দাম পড়ছে ২০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা। এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের প্রায় ১০০ জন চিকিত্সক ল্যাব থেকে ফেইস শিল্ড নিয়েছেন। ব্র্যাক সোশ্যাল ইনোভেশন ল্যাবের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুসারে ব্র্যাক ২ হাজার ফেইস শিল্ড নেবে। শেকৃবি ফ্যাব ল্যাবের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. এ এইচ এম সোলাইমানের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে গবেষক এনামুল আরেফিন এই ফেইস শিল্ড তৈরি করছেন। গবেষক এনামুল আরেফিন ইত্তেফাককে বলেন, ‘ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ব্যবহারের পরে, মুখ এবং গগলগুলোর মধ্যে কিছু অংশ উন্মুক্ত থাকে, যেখানে জীবাণু প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। ফেইস শিল্ডগুলো সেই অংশগুলো নিরাপদে রাখতে সহায়তা করবে।’ ফ্যাব ল্যাবের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. এ এইচ এম সোলাইমান বলেন, ‘দেশে মোট আটটি ফ্যাব ল্যাব রয়েছে। ফেইস শিল্ড তৈরির কাজ চলমান। ফেইস শিল্ড স্বাস্থ্যকর্মীদের সংক্রমণের হার কমাবে। এরপরে আমরা ভেন্টিলেটর নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি।’