ঢাকা ৬ আসনে ভোট যুদ্ধ নিয়ে নেই কোনো উত্তেজনা। ভোট উত্সবও নেই। ফাঁকে ফাঁকে প্রার্থীদের মিছিল দেখা গেলেও ভোটারদের মধ্যে নেই বাড়তি উত্তেজনা। তবে ঢাকা ৬ আসনে কৌতূহল রয়েছে ইভিএম নিয়ে। দেশের যে কয়টি আসনে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হবে তার মধ্যে ঢাকা ৬ আসন একটি। ভোটারদের কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। ৯১ সালে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এই আসনে প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করতে পারেননি। সেই থেকেই ভোটের ময়দানে ঢাকা ৬ আসনটি আরো বেশি আলোচনায় উঠে আসে। মহাজোট সরকারের গত নির্বাচনে ঢাকা ৬ আসন হতে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে কাজী ফিরোজ রশিদ জয় পেয়েছিলেন। এবারও তিনি এই আসনের শক্তিশালী প্রার্থী। কারণ তার বিপক্ষে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে গণফোরামের অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী নির্বাচন করছেন। ধানের শীষের পোস্টারও খুব একটা দেখা যায়নি।
ধানের শীষ কিংবা নৌকার কোনো প্রতীক নিয়ে ভোটের লড়াই হলেও ভোটার সেটি নিয়েও ভাবছেন না। ভাবছেন ইভিএম নিয়ে। কেমন হতে পারে নতুন পদ্ধতি ইভিএম, জানতে চায় দেখতে চায় ভোটাররা। এরই মধ্যে ইভিএম নিয়ে ভোট গ্রহণের ট্রায়াল হয়ে গেছে। যারা ট্রায়াল দিয়েছেন তারা ভোটারদের মাঝে অভিজ্ঞতার কথাও বর্ণনা করেছেন। তারপরও নারী পুরুষ ভোটাররা ইভিএম নিয়ে পুরোপুরি ধারণা নিতে পারেননি। তাই ভোটাররা আজ সকালে ভোট দিতে খুব সকালেই কেন্দ্রে পৌঁছাতে চান, যেন জটিলতা সৃষ্টি হলেও নিজের ভোটদানে কোনো সমস্যা না হয়। মুরাদ সড়ক লেনের রবিন, একরামুল জানিয়েছেন ইভিএম সম্পর্কে আমরা এখনও কিছুই বুঝি না। ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারব। তবে এটা হবে নতুন অভিজ্ঞতা।
