স্পোর্টস রিপোর্টার
করোনা ভাইরাসের আক্রমণে বন্ধ থাকা ফুটবল ক্লাবগুলোর অনেক ক্ষতি হয়েছে। ফুটবল দুনিয়ায় সব ক্লাবই ক্ষতিগ্রস্ত। বার্সেলোনার মতো ধনী ক্লাবই যেখানে আর্থিক ক্ষতির কথা বলছে সেই তুলনায় বাংলাদেশের মতো দরিদ্র ফুটবল দেশের ক্লাবগুলোর ক্ষতিটা আরো বেশি।
ক্লাব সংগঠন যারা পরিচালনা করেন তারাই অনুধাবন করতে পারেন অর্থ সংগ্রহ করতে গিয়ে তাদের কতটা ঘাম ঝরাতে হয়। করোনার কারণে পুরো দেশ থমকে যাওয়াটা তাই দেশের ক্লাব ফুটবলের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে ক্লাবগুলো বাফুফের কাছে সহযোগিতা চেয়েছে। বাফুফেও তাই পরিকল্পনা করেছে কীভাবে ক্লাবগুলোর জন্য ফিফার কাছ থেকে অর্থ আনা যায়। এরই মধ্যে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগও হয়েছে। ফুটবলের বিশ্ব সংস্থাটির কাছে আবেদনও জানিয়েছে বাফুফে।
এ বিষয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ বলেন,‘ফিফার কাছে আমরা আবেদন করেছি ৬-৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এমন একটা হিসাবের কথা জানিয়েছি। তারা যদি আমাদের কথাটা বিবেচনা করে তাহলে আমরা ক্লাবগুলো জন্য কিছু করতে পারব। যদি আরো পরিষ্কার করে বলি তাহলে বলতে হয়, ফিফা যদি পজিটিভ কিছুু জানায় তাহলে আমরা ক্লাবগুলোর জন্য কিছু করতে পারব।’
তাহলে কি ফিফা অনুদান দিলে ক্লাবগুলো পাবে? সোহাগ বলেন, ‘অন্য কোনো খাত থেকে দেওয়ার সুযোগ নেই। ফিফা অনুদান দিলে ক্লাব পাবে।’ ফিফা ৫ লাখ ডলার দেওয়ার কথা যেটি জানিয়েছে তা নিয়ে সোহাগ বললেন, ‘আমরা বছরে ১ মিলিয়ন ডলার পাই ফিফা হতে। এটি দেওয়া হয় ফেডারেশনের কাজের জন্য। এই টাকাটা ভাগে ভাগে দেওয়া হতো। করোনা ভাইরাসের কারণে এবার বাত্সরিক প্রাপ্য থেকে ৫ লাখ ডলার দিয়ে দিচ্ছে যেন কর্মকাণ্ড পরিচালনায় কোনো ব্যাঘাত না ঘটে। ৫ লাখ ডলার বিশেষ কোনো অনুদান নয়।’
সোহাগ জানিয়েছেন ফিফার বাত্সরিক অনুদানের বাইরে এএফসি হতে বছরে ৫ লাখ ডলার পাওয়া যায়। যেখান থেকে ২০ কোচের বেতন দিতে হয়, নারী ফুটবলসহ আরো কিছু কর্মকাণ্ডে এখান থেকে অর্থের জোগান দিতে হয়।
