বজ্রপাতে প্রাণহানি কমাতে প্রয়োজন সচেতনতা কর্মসূচি

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২০, ২২:১০

ইদানীং বজ্রপাতে প্রাণহানির হার বেড়ে গেছে। কালবৈশাখীর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে বজ্রপাতের প্রবণতা। সাধারণত এপ্রিল-মে মাসে বজ্রপাত শুরু হয়। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান মতে, দেশে প্রতি বছর বজ্রপাতে ২০০ জনের মৃত্যু ঘটে। গত কয়েকদিনে সারা দেশে প্রায় ২০ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। তিন শ্রেণির মানুষ বিশেষ করে কৃষক, রাখাল ও ব্যবসায়ী বজ্রপাতের শিকার হয় বেশি। ঝড়বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মাঠে ঘাটে কাজ করার সময় কৃষকরাই বজ্রপাতের শিকার হয়ে থাকে। শহরের চেয়ে গ্রাম অঞ্চলে এতে প্রাণহানির সংখ্যা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে বায়ুদূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ব উষ্ণতা বৃদ্ধি, নির্বিচারে বৃক্ষনিধন, কৃষিতে ভারি ধাতব যন্ত্রাংশ ব্যবহারের কারণে বজ্রপাতের দুর্ঘটনা বাড়ছে। তাই জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বজ্রপাতকে গুরুত্ব দিয়ে এ ব্যাপারে গবেষণা ও জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে পরিবেশদূষণ রোধ, তালগাছ ও খেজুরগাছ রোপণ, গণমাধ্যম ও কমিউনিটি রেডিওতে বজ্রপাতের সতর্কবার্তা ঘন ঘন প্রচারের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা এবং বজ্রপাত নিরোধক যন্ত্র তথা আর্থিং স্থাপনসহ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। জনসচেতনতাই পারে বজ্রপাতের থেকে প্রাণহানি কমাতে।

মো. সাইমুন

শিক্ষার্থ, সরকারি কমার্স কলেজ,

চট্টগ্রাম