খোশ আমদেদ মাহে রমজান

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২০, ২৩:১২

আজ ৬ রমজান। জানা যায় আল্লাহ জাল্লাহ শানুহু হজরত মুসা আলায়হিস সালামের নিকট প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছর পূর্বে তওরাত কিতাব নাজিল করেছিলেন রমাদানুল মুবারকের ৬ তারিখে। এই কিতাব নাজিল হয়েছিল পাথরের ফলকে উত্কীর্ণ অবস্থায়। কোরআন মজিদে ইরশাদ হয়েছে :আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ্ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, শাশ্বত। (হে রসুল) তিনি সত্যসহ আপনার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, যা পূর্বেকার কিতাবের সমর্থক, আর তিনিই নাজিল করেছিলেন তাওরাত ও ইঞ্জিল (সুরা আল ইমরান : আয়াত ২-৩)।

আল্লাহ জাল্লাহ শানুহু  ইরশাদ করেন :মুসা যখন আমার নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হলো এবং তার রব তার সঙ্গে কথা            বললেন তখন সে (মুসা) বলল :হে আমার রব আমাকে দর্শন দিন। আমি আপনাকে দেখব। তিনি (আল্লাহ) বললেন :তুমি আমাকে কখনোই দেখতে পাবে না বরং তুমি ঐ পাহাড়ের প্রতি লক্ষ করো, ওটা যদি স্বস্থানে স্থির থাকে তাহলে তুমি আমাকে দেখবে। যখন তার রব পাহাড়ে নুরের বিকিরণ ঘটালেন তখন তা পাহাড়কে চূর্ণবিচূর্ণ করল আর মুসা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ল। যখন সে জ্ঞান ফিরে পেল তখন বলল :আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি আপনার নিকট তওবা করছি এবং মুমিনদের মধ্যে আমিই প্রথম। তিনি (আল্লাহ) বললেন :হে মুসা আমি তোমাকে আমার রিসালাত ও আমার কালাম দ্বারা মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। সুতরাং আমি যা দিলাম তা গ্রহণ করো এবং কৃতজ্ঞ হও। আর তাকে আমি সব বিষয়ে উপদেশ এবং সব বিষয়ের বিশদ বিবরণ ফলকে লিপিবদ্ধ করে দিই। (সুরা আরাফ :আয়াত ১৪৩-১৪৫)। তাওরাত নাজিলের পূর্বে আল্লাহ মুসাকে ৪০ দিন তুর পর্বতে অবস্থান করে লাগাতার সিয়াম পালন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাওরাতে আমাদের প্রিয়নবি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম’-এর পৃথিবীতে আগমনের আগাম খবর দেওয়া হয়। বলা হয়েছে :মহাপ্রভু বলেন :আমি প্রকম্পিত করে দেব সব জাতিকে অতঃপর সব জাতির হিমদা আসবেন।

লেখক :পীর সাহেব, দ্বারিয়াপুর শরীফ