ঝিনাইগাতী ও পাকুন্দিয়ায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ৬ জন

আপডেট : ০৩ মে ২০২০, ১৯:৩৩

তিন সপ্তাহ করোনার সঙ্গে লড়ে বাড়ি ফিরলেন শেরপুরের ঝিনাইগাতীর দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ পাঁচজন। বরিবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। 

সুস্থ হয়ে যারা  বাড়ি ফিরলেন তারা হলেন- থানার এসআই সাইদুল ইসলাম, তোফায়েল আহম্মেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার হারুন অর রশিদ, প্রতাবনগর গ্রামের মৃত কাজিম উদ্দিনের স্ত্রী রহিমা বেগম, সারিকালীনগর গ্রামের শহিদুল ইসলাম।

জামাইয়ের পর এবার শ্বশুরের করোনা জয়

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জামাই আলমের করোনা জয়ের পর এবার করোনা জয় করলেন শ্বশর উছমান মিয়া। রবিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে উছমান মিয়াকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। গত ১৩ এপ্রিল করোনা ভাইরাস পজিটিভ আসার পর ১৭ এপ্রিল তাকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: সকল বাধাকে ‘বালির বাঁধ’ বানিয়ে ঢাকায় ঢুকছেন পোশাক শ্রমিকরা

উপজেলায় প্রথম করোনা ভাইরাসে শনাক্ত হন উছমান মিয়ার জামাতা হোসেন্দী চরপাড়া গ্রামের আলম মিয়া। গত ১০ এপ্রিল আলম মিয়ার করোনা শনাক্ত হওয়ার তিন দিন পর ১৩ এপ্রিল তার শ্বশর উপজেলার চরতেরটেকিয়া গ্রামের উছমান মিয়ার (৬৫) করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ পজেটিভ আসে।

দীর্ঘ তিন সপ্তাহ কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে সুস্থ হন আলম মিয়া। শুক্রবার (১ মে) তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলে তিনি নিজ বাড়ি উপজেলার হোসেন্দী চরপাড়া গ্রামে ফিরেন। এবার করোনাভাইরাসকে জয় করে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আলম মিয়ার শ্বশর উছমান মিয়াও।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জামির মোহাম্মদ হাসিবুস সাত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পাকুন্দিয়ায় উপজেলায় এখন পর্যন্ত চারজনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন সুস্থ হয়েছেন এবং বাকি দুইজন আইসোলেশনে রয়েছেন।

ইত্তেফাক/এসি