কুষ্টিয়ায় সবজির ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না প্রান্তিক চাষিরা

আপডেট : ০৩ মে ২০২০, ২১:২১

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

করোনার প্রভাবে কুষ্টিয়ায় প্রান্তিক সবজি চাষিরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। উত্পাদিত পণ্যের প্রকৃত দাম কৃষকরা পাচ্ছেন না। তবে প্রান্তিক চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও লাভবান হচ্ছেন পাইকাররা। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার অন্তর্গত বিত্তিপাড়া, লক্ষ্মীপুর ও শেখপাড়া পাইকারি এ তিনটি সবজি বাজার ঘুরে এ চিত্র উঠে আসে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কুষ্টিয়ার পাইকারি বাজারে সর্বোচ্চ ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি বেগুন। অথচ সেই একই বেগুন কুষ্টিয়া বিভিন্ন শহরের বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। পাইকারি বাজারে লম্বা জাতের এই নতুন বেগুন ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি হলেও শহরের বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা প্রতি কেজি। এদিকে পাইকারি এ বাজারে শসা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ২০/২৫ টাকা দরে। করোনা প্রভাবের আগে শসার পাইকারি দর ছিল প্রতি কেজি ৩০ টাকা। বর্তমানে শহরের বাজারগুলোতে প্রতি কেজি শসার খুচরা দর ৪০ টাকা। এছাড়া  মরিচের দাম আগের তুলনায় একেবারে পড়ে গেছে। বিত্তিপাড়া বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী রাজ্জাক মন্ডল জানান, সবজির বাজার এখন নিম্নমুখি। তবে সবজির বাজার ওঠানামা করে বলেও তিনি জানান। কুষ্টিয়া মিউনিসিপ্যালিটি বাজারের সবজি আড়তদার বাবু জানান, কাঁচামালের বাজার প্রতিদিন এক থাকে না। এছাড়া চাহিদা ও সরবরাহের ওপর সবজির মতো কাঁচামালের দাম নির্ভর করে। কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, করোনা প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। কুষ্টিয়া কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ শ্যামল কুমার বিশ্বাস জানান, যেকোনো মহামারির পর খাদ্য সংকট দেখা দিবে এটা স্বাভাবিক। তবে খাদ্য সংকট মোকাবিলায় উত্পাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে তিনি জানান।