করোনা চিকিত্সায় দেশে শুরু হলো ব্লাড প্লাজমা থেরাপি

আপডেট : ০৩ মে ২০২০, ২২:২৮

ইত্তেফাকে চবি শিক্ষকের

আইডিয়া প্রকাশ

চবি সংবাদদাতা

করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের বাঁচাতে দেশে শুরু হয়েছে ‘পরোক্ষ এন্টিবডি থেরাপি’ বা ‘ব্লাড প্লাজমা থেরাপি’। বাংলাদেশে এ ধারণা সামনে নিয়ে আসেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া। গত ১ এপ্রিল তার এই প্লাজমা থেরাপি নিয়ে দৈনিক ইত্তেফাক অনলাইনে ‘চবি শিক্ষকের আইডিয়া বাঁচাতে পারে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর প্রাণ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

গত সোমবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিত্সক ডা. জোয়ারদার রাকিন মনজুর প্রথমবারের মতো প্লাজমা ডোনেট করেন। এই প্লাজমা বাঁচাতে পারে অন্তত দুই জন করোনা রোগীর প্রাণ। এদিকে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার তিন যুবকও প্লাজমা দিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সহযোগী অধ্যাপক ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত থেকে নিরাময় হয়ে ওঠা ব্যক্তির ব্লাড প্লাজমা বা সিরাম নিয়ে (ভাইরাস ও অন্যান্য ইনফেক্সাস এজেন্ট স্কিনিংয়ের পর) আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করালে আক্রান্ত ব্যক্তি খুব দ্রুত সুস্থ হতে পারেন। কারণ পূর্বে সুস্থ হওয়া ব্যক্তির ব্লাড প্লাজমা অথবা সিরামে এন্টি কোভিড-১৯ উত্পন্ন হয়ে আছে, যা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করালে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত নিরাময়ে দারুণ ভূমিকা রাখবে।’ তিনি বলেন, ‘প্লাজমা ধারণাটি সামনে আনার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটির প্রধান প্রফেসর ডা. মো. শহীদুল্লাহ ও সদস্যসচিব প্রফেসর ডা. মীরজাদী সেব্রীনা ফ্লোরা বরাবর একটি ইমেল করেছি ব্লাড প্লাজমা ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। এক মাস পর ব্লাড প্লাজমা ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ দেখলাম। আরো আগে শুরু করতে পারলে হয়তো অনেক রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হতো।’