চট্টগ্রামের বাজারে কাঁচা ভোগ্যপণ্য আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম আবারও কমে আসছে। সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের আড়ত ও গুদামে এসব পণ্য রাখার ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনই এগুলো নিতে এখানে ভিড় করছেন। গতকাল সোমবার খাতুনগঞ্জের আড়তে প্রতি কেজি চীনা আদা ১১৫ টাকা, মিয়ানমারের আদা ১০৫ টাকা, দেশি ও মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৩৫ টাকা ও চীনা রসুন ১১৫ টাকা ও দেশি ৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
গত দুই সপ্তাহের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখা আদা, রসুন ও পেঁয়াজসহ পচনশীল পণ্য ডেলিভারি নেওয়ার ব্যাপারে আমদানিকারকদের প্রতি চিঠিপত্র ইস্যু করে। এমনকি বন্দর ইয়ার্ডে ৩০ দিন উত্তীর্ণ বিপুল পরিমাণ কন্টেইনার ভর্তি পেঁয়াজ, রসুন, আদা এবং ফলমুল নিলামে পাঠানোর জন্য তালিকা প্রস্তুত করে বন্দর কর্তৃপক্ষ তা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। বন্দরে করোনা সংক্রান্ত বিপর্যয়ের কারণে ফ্রিটাইম ঘোষিত হওয়ায় অনেক আমদানিকারক এসব পণ্য ডেলিভারি না নিয়ে বন্দর ইয়ার্ডে ফেলে রাখার কারণে বাজারে স্বল্প সময়ের জন্য কৃত্রিম সংকটের সৃষ্টি হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মনে করছে, বন্দর ও কাস্টমস প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগের কারণে এসব পণ্য পাইকারি বাজার হয়ে খুচরা বাজারে আসার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তবে চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের আড়তদাররা বলছেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে রমজানের এই সময়টাতে খুচরা বিক্রেতাদের যে রকম ভিড় থাকার কথা ছিল, এবছর তা নেই। ফলে ব্যবসা তেমন একটা জমে উঠছে না।
