জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ও যুদ্ধাপরাধী মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তি চেয়ে ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করায় পদ হারালেন শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ এইচ এম ইব্রাহিম খলিল। ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম ডুডু ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন দলীয় প্যাডে স্বাক্ষর করে গতকাল সোমবার এ অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, সাঈদীর মুক্তি জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে ঘিওরের তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশনের সহকারী প্রধান শিক্ষককে রবিবার রাতে আটক করেছে পুলিশ। তার নাম মহাম্মদ সোলায়মান ইসলাম (৪০), বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার জিয়নপুর ইউনিয়নের আবুডাঙ্গা গ্রামে।
তার বিরুদ্ধে ঘিওর উপজেলা যুবলীগের সাংষ্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সোহাগ বাবু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঘিওর থানায় মামলা করেছেন। পরে পুলিশ রবিবার রাতে তেরশ্রী এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে ঐ শিক্ষককে আটক করে।
শিবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তোসিকুল ইসলাম টিসু বলেন, অনেকেই সুযোগ বুঝে ভোল পালটিয়ে দলে ভিড়েছে। কিন্তু একটা সময় তাদের আসল চরিত্র ফুটে উঠে। সেই রকম কাজ করায় ইব্রাহিম খলিলকে যুবলীগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে এ এইচ এম ইব্রাহিম খলিল বলেন, স্থানীয় কয়েকজন আলেম আমাকে বলেন—দেশের সব ধর্মীয় নেতারা এক হয়ে সাঈদীর মুক্তি চাচ্ছে, সেখানে আপনি কেন চাইছেন না। আপনি সাঈদীর মুক্তি চেয়ে কিছু বলেন। পরে তাদের কথামতো আমি ফেসবুকে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তি চেয়ে একটি ভিডিও দিই।
