আমাদের দেশে ‘ফার্মাসিস্ট’ নিয়ে বিভ্রান্তি আছে। সম্প্রতি ফার্মেসিতে ডিপ্লোমাকারীদের ফার্মাসিস্ট নামে গ্রেড ১১-তে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যারা ওষুধের দোকানে ওষুধ বিক্রি করে তাদেরকেও ফার্মাসিস্ট বলা হচ্ছে। আর এই বিভ্রান্তি সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে খোদ ফার্মেসি কাউন্সিল! তারা এ, বি এবং সি গ্রেড ফার্মাসিস্ট বলে তিনটি ভাগ করেছে—যেটি একেবারেই অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতি বহির্ভূত। বিশ্বের কোনো দেশে এ ধরনের বিভাজন নেই। তাছাড়া চার থেকে পাঁচ বছরে একজন ফার্মেসি গ্রাজুয়েট ওষুধ নিয়ে লেখাপড়া করে যে জ্ঞান অর্জন করেন তার কতটুকুই বা ডিপ্লোমা কিংবা তিন মাস মেয়াদি কোর্সে অর্জন করা সম্ভব? প্রকৃতপক্ষে শুধু ফার্মেসি গ্রাজুয়েটদেরই ফার্মাসিস্ট বলা উচিত, যেমনটা সারা বিশ্বে বলা হয়। ফার্মেসি নিয়ে ডিপ্লোমাকারীদের ফার্মেসি টেকনিশিয়ান এবং তিন মাস মেয়াদি কোর্সকারীদের ফার্মেসি সেলসম্যান বলা যেতে পারে। ফার্মেসি কাউন্সিল বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে—ডিপ্লোমা এবং তিন মাস মেয়াদি কোর্স সম্পন্নকারীদের গণহারে ‘ফার্মাসিস্ট’ সম্বোধন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবেন না।
মো. জাহিদ হাসান
শিক্ষার্থী, ফার্মেসি বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
