করোনার মতো মহামারির সময়ে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচারে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে অনলাইন ট্রেনিং কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, যত বেশি সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছাবে, তত বেশি মানুষ সচেতন হবে। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউর উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) মিশন ডিরেক্টর ডেরিক ব্রাউন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল ইউনিটের পরিচালক ডা. শাহনিলা ফেরদৌসী, বিএসএমএমইউর চিকিত্সক ডা. রুমানা বিনতে রেজা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধিরা।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, বিশেষ করে সংকটের সময়ে প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের যা প্রয়োজন, আপনারা তার জোগান দেন; তা হচ্ছে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য, প্রকৃত ঘটনা ও সত্য। সাংবাদিক, আলোকচিত্র সাংবাদিক ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজটি পালন করার সময় অনেক সময় ত্যাগ স্বীকারের ব্যাপার থাকে, যেমনটি বাংলাদেশেও ঘটে। আমরা কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া সাংবাদিক ও জনসেবার ক্ষেত্রে তাদের নিঃস্বার্থ আত্মনিবেদনকে সম্মান জানাই।
তিনি বলেন, ‘৩ মে ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিলে স্বাধীন মত প্রকাশের সার্বজনীন অধিকার এবং গণতন্ত্র রক্ষা ও নাগরিকদের অবহিত ও নিরাপদ রাখতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তা দৃঢ়ভাবে পুনর্ব্যক্ত করে। এ বছর জনসাধারণকে কোভিড-১৯ মহামারি সম্পর্কে অবহিত করার জন্য সাংবাদিকেরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন, অনেক সময়ই চাপ ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে তাদের। আমরা তাদের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা জানাই।’ তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বের সব জায়গার সব সাংবাদিককে সম্মান জানাই, যারা কিনা সত্য ও ন্যায়বিচারের অনুসন্ধান করতে নিজের জীবন, স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত মঙ্গলকে বিসর্জন দিয়েছেন।’
