নির্বাচন বাতিল করে ও বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে পুনরায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন। গতকাল রবিবার ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় রাজধানীতে গণসংহতি আন্দোলনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
তিনি বলেন, বর্তমান ইসি কতটা সরকারি দাসবৃত্তি করেছে, সেটা গোটা জাতি দিনব্যাপী দেখেছেন। এইরকম আতঙ্কের পরিবেশে এর আগে কোনো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ না দিয়ে এই পাতানো নির্বাচনের আয়োজন নিশ্চিত করা হয়েছে। ইন্টারনেট বন্ধ করে সংবাদ ও তথ্য সরবরাহ কার্যত রুদ্ধ করে ভয়ের আবহকে বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। কেন্দ্রের ভেতরে গণমাধ্যমকর্মীরা ঢুকতে না পারায় ভেতরের দৃশ্যও তারা ধারণ করতে পারেননি। ২০১৪ সালের পর পুলিশি-প্রশাসন ও সরকারি দলের যৌথ প্রযোজনার এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি কলঙ্কের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এর আগে জোনায়েদ সাকি এবং তার দলের দুই প্রার্থী নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেন। জোনায়েদ সাকি ঢাকা-১২ আসন থেকে ‘কোদাল’ মার্কায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তার দলের দুই প্রার্থী জুলহাসনাইন বাবু পাবনা-১ এবং হাসান মারুফ রুমী চট্টগ্রাম-১০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
