গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বান সাত রাষ্ট্রদূতের

আপডেট : ০৮ মে ২০২০, ২২:১৪

ইত্তেফাক রিপোর্ট

করোনা ভাইরাসের সংকটকালীন সময়ে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রচার নিশ্চিতে মুক্ত গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সাত পশ্চিমা দেশের রাষ্ট্রদূত। বৃহস্পতিবার তারা নিজ নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় একইরকম বার্তা সংবলিত টুইট করেন। এই রাষ্ট্রদূতরা হলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তেরিঙ্ক, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত শারলোটা স্লাইটার, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন ও ডাচ রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারওয়েইজ।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিলার তার টুইটে লিখেছেন, সর্বত্র জনস্বার্থ সুরক্ষায় অবাধ ও স্বাধীন গণমাধ্যমের নির্ভরযোগ্য ও বাস্তবভিত্তিক তথ্য প্রচারের সুযোগ জরুরি। তাই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে হবে। ব্রিটিশ হাইকমিশনার ডিকসন লিখেছেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখাটা এখন বেশি জরুরি। সেই সঙ্গে গণমাধ্যমও যেন তার দায়িত্বটা সঠিকভাবে পালন করতে পারে।

ইইউ রাষ্ট্রদূত লিখেছেন, সংকটের সময়ে এসে গণমাধ্যমের ভূমিকা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। গুজব যখন সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়, তখন গণমাধ্যমকর্মীদের অবাধে ও স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া উচিত। সুইডেনের রাষ্ট্রদূত স্লাইটার, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লিকেন এবং ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি পেটারসন পৃথক টুইটে লিখেছেন, এই করোনা সংকটের সময়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষা করা উচিত। নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত লিখেছেন, তথ্য হচ্ছে জীবন রক্ষাকারী। সংকটকালীন সময়ে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বাধীন গণমাধ্যমের তথ্য প্রচার গুরুত্বপূর্ণ। কোনো গণমাধ্যমকর্মীর যাতে কণ্ঠরোধ না করা হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে বলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সরকার বেশ কয়েক জন মানবাধিকারকর্মী, কার্টুনিস্ট ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা করার পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমা দেশের রাষ্ট্রদূতেরা টুইট করেন।