ইত্তেফাক রিপোর্ট
হবিগঞ্জে জাতীয় পার্টি (এ) চুনারুঘাট উপজেলার সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মুনায়েম চৌধুরী গত ৪ মে হূদরোগে আক্রান্ত হন। স্বজনরা তাকে চুনারুঘাট থেকে ঢাকায় ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এর আগে মার্চ মাসে ইবনে সিনা হাসপাতালে তার হার্টে রিং পড়ানো হয়। কিন্তু এবার হাসপাতাল আনার পর গত ৫ মে কর্তৃপক্ষ জানায়, সন্দেহ করা হচ্ছে রোগী করোনায় আক্রান্ত। তারা রোগীকে করোনাসংক্রান্ত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন।
কিন্তু স্বজনরা জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা রোগীকে হাসপাতালে রেখে করোনা টেস্ট করাতে অনুরোধ করেন। তবে করোনা পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত তার এনজিওগ্রামসহ হূদরোগের সব চিকিত্সা বন্ধ থাকে। নানা মাধ্যমে চেষ্টার পর বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নমুনা সংগ্রহকারী টিম এসে মুনায়েম চৌধুরীর নমুনা সংগ্রহ করে। এর ৩ ঘণ্টা পর তিনি মারা যান।
মুনায়েম চৌধুরীর মামাতো ভাই আলমগীর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাইয়ের হূদরোগের যে উপযুক্ত চিকিত্সা তা করা হয়নি। যেহেতু চিকিত্সকরা করোনা সন্দেহ করেছিলেন। ইবনে সিনায় টেস্ট করার ব্যবস্থা ছিল কিন্তু সরকারের অনুমোদন না থাকায় তারা তা করতে পারেনি। তারা যদি টেস্ট করে সঙ্গে সঙ্গে হূদরোগের চিকিত্সা শুরু করতে পারতো তাহলে আমার ভাইয়ের এই করুণ মৃত্যু হতো না । এ বিষয়ে ইবনে সিনার একজন চিকিত্সক জানান, এই রোগীকে দ্রুত এনজিওগ্রাম করার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু করোনা সন্দেহের কারণে আমরা তা করতে পারিনি। আমরা টেস্টের অপেক্ষায় ছিলাম।
