অপরিপক্ব আমে বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশিয়ে কৃত্রিম উপায়ে পাকিয়ে বাজারে বিক্রি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। আমের প্রধান এলাকা রাজশাহীতে সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে আম পাড়া ও বাজারজাতকরণে। আম চাষি ও বাগান মালিকদের উদ্দেশে রাজশাহী জেলা প্রশাসন নির্দেশনায় বলেছে, নির্ধারিত সময়ের আগে কোনোভাবেই অপরিপক্ব আম সংগ্রহ কিংবা বাজারে তোলা যাবে না। আম পাকানো ও সংরক্ষণ বা বাজারজাতে কোনো কেমিক্যাল মেশানো যাবে না। করোনা ভাইরাসের ( কোভিড-১৯) কারণে এ মৌসুমে নিরাপদ ও বিষমুক্ত আম উত্পাদন, প্রক্রিয়াকরণ, পরিবহন এবং ভোক্তা পর্যায়ে বিপণনে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে রাজশাহী জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসন জানায়, নিরাপদ ও বিষমুক্ত আম উত্পাদনে প্রত্যেক উপজেলায় আলাদা কমিটি থাকবে। এই কমিটি অসময়ে আম নামানো এবং আমে কেমিক্যাল মেশানো ঠেকাতে আমবাগান, কেমিক্যাল বিক্রির দোকান এবং আমের আড়ত পরিদর্শন করবে। জনসচেতনতা সৃষ্টি ছাড়াও তারা আইন অমান্যকারীদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনবে। রাজশাহীর গুটি জাতের আম চলতি মাসের ১৫ মে থেকে বাজারে পাওয়া যাবে। আর সুস্বাদু অন্যান্য জাতের আম পেতে কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছেন আম চাষিরা। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী—এ মৌসুমে গোপালভোগ আম নামবে ২০ মে থেকে। এর পাঁচ দিন পর ২৫ মে থেকে নামবে লক্ষণভোগ, লখনা এবং রাণিপছন্দ। হিমসাগর, ক্ষিরসাপাত আম নামবে আরো তিন দিন পর ২৮ মে। ৬ জুন থেকে নামবে ল্যাংড়া আম। এরপর ১৫ জুন থেকে আম্রপালি ও ফজলি নামবে। আর মৌসুমের শেষে আশ্বিনা ও বারি আম-৪ নামবে ১০ জুলাই থেকে।
