বঙ্গোপসাগর ও আন্দামানে আটকে পড়া শরণার্থীদের বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

আপডেট : ০৯ মে ২০২০, ০১:০৪

সমুদ্রে আটকে পড়া শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জীবন বাঁচাতে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করার জন্য বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগর অঞ্চলের দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছে ১৮টি সংস্থা। তারা আটকে পড়াদের তীরে অবতরণ করার অনুমতি দেওয়া এবং পর্যাপ্ত সহায়তা প্রদানেরও অনুরোধ জানিয়েছে। গতকাল শুক্রবার এক যৌথ সংবাদ বিবৃতিতে সংস্থাগুলো এই অঞ্চলের সরকারগুলোকে সমস্যাটি সমাধানের জন্য জরুরিভাবে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানায়।

ঐ সংস্থাগুলো হলো :অ্যাকশন কান্ট্রি লা ফেইম, এশিয়া প্যাসিফিক রিফিউজি রাইটস নেটওয়ার্ক, এশিয়ান ডিগনিটি ইনিশিয়েটিভ, কেয়ার, চাইল্ডফান্ড ইন্টারন্যাশনাল, কোস্ট ট্রাস্ট, ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিল, হিউম্যানিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন, আইএসডিই বাংলাদেশ, মেডিসিনস ডু মোন্ডি ফ্রান্স, ম্যাডেসিনস ডু মোন্ডি সুইজারল্যান্ড, মুক্তি কক্সবাজার, নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল, অক্সফাম, পালস, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল, সেভ দ্য ইন্টারন্যাশনাল ও সলিডারিটস ইন্টারন্যাশনাল।

উল্লেখ্য, বর্তমানে কয়েক শ রোহিঙ্গা শরণার্থী সমুদ্রে আটকে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সম্প্রতি ৪০০ শরণার্থীকে তীরে নামার অনুমতি দিয়েছে। তবে বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতির অজুহাত দেখিয়ে ঐ অঞ্চলের অন্যান্য সরকার শরণার্থীদের অবতরণ করার অনুমতি দিতে অনীহা প্রকাশ করছে। শরণার্থীবোঝাই কমপক্ষে দুটি নৌকাকে অবতরণ করতে দেওয়া হয়নি, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার সমুদ্রের দিকে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বিবৃতিতে এই অঞ্চলের সমস্ত সরকারকে জীবন বাঁচাতে এবং বিপন্ন মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বলা হয়, সরকারগুলো অবশ্যই শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের সুরক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করবে। সম্ভব হলে তাদের অধিকার সমুন্নত রেখে এবং মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে মানবিক বিভিন্ন সংস্থাকে সম্পৃক্ত করতে হবে। সরকারগুলোকে উদ্বাস্তু হয়ে পড়া পরিবারগুলোর পুনর্মিলনের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।