বাফুফের সঙ্গে খসড়া চুক্তি
এ সপ্তাহেই ভিডিও কনফারেন্স, মাঠে খেলা দেখতে হবে,
যখন-তখন ছুটি চাওয়া যাবে না
স্পোর্টস রিপোর্টার
বাফুফের সঙ্গে ইংলিশ কোচ জেমি ডের মধ্যে খসড়া চুক্তি হয়েছে। দুই পক্ষ কাগজপত্র চালাচালি করে একটা ঐকমত্যে পৌঁছেছেন বলে জাতীয় দল ম্যানেজম্যান্ট কমিটি সূত্রে জানা গেছে। দুই বছরের জন্য এই কোচকে নেওয়া হবে। চূড়ান্ত চুক্তি হয়ে গেলে আগামী আগস্ট হতে চুক্তির মেয়াদ শুরু হবে।
জেমিকে যদি এবার নেওয়া হয় তাহলে সেটা তৃতীয় মেয়াদের চুক্তি। এর আগে দুই বার এক বছর করে নেওয়া হয়েছিল। এবার দুই বছরের জন্য নেওয়া হলেও সেটি এক বছর পর নবায়ন করতে হবে। জেমিকে পছন্দ হওয়ার কারণ জেমির হাত ধরে এশিয়ান গেমস ফুটবলের দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কাতার বিশ্বকাপ বাছাই, এশিয়া কাপ ফুটবল বাছাই চার ম্যাচের মধ্যে একটি ড্র, গোল পেয়েছে দুটি। জাতীয় দলের ম্যানেজম্যান্ট কমিটির কো-চেয়ারম্যান তাবিথ আওয়াল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন শুধু এই দুটিই বিষয়ই নয়, এখন জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের মনমানসিকতাও পরিবর্তন হয়েছে। বাফুফের কর্তারা পজিটিভ দিক দেখছেন, খেলোয়াড়রা আগে যেভাবে মাঠে নামার আগে হেরে বসে থাকত এখন সেটা হয় না। তাবিথ বলছেন, ‘এখন খেলোয়াড়দের মানসিকতায় পরিবর্তন হয়েছে জেতার সুযোগ নিতে চায় তারা। গ্রুপের ম্যাচগুলোর দিকে তাকালে বোঝা যায়। গ্রুপের ম্যাচগুলো বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়।’
বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানিয়েছেন জেমির কাছে চুক্তির বিষয়গুলো পাঠানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে ভিডিও কনফারেন্স করে আলোচনা সম্পন্ন করা হবে। ১৬ আগস্ট থেকে চুক্তি শুরু। জেমি প্রায় বাড়ি চলে যান-এটা নিয়ে নানা কথা শুনতে হয় বাফুফেকে। বেতন দেওয়া হচ্ছে অথচ জেমি কেন কারণে-অকারণে ছুটি পাবে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক সোহা বললেন, ‘সভাপতি সাহেব (কাজী সালাহউদ্দিন) জাতীয় দলটাকে ঢেলে সাজাতে চান।’ সোহাগ বললেন, ‘জেমির সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্তই হয়ে গেছে তার আগে কোচের চুক্তিতে নতুন কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে, জেমিকে মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের দেখতে হবে। কার কি পারফরম্যান্স তা নিয়ে কড়া নজরও রাখতে হবে। ইচ্ছে করলেই ছুটি নিয়ে যাওয়া যাবে না। ছুটি পাবেন তবে কাজের সঙ্গে মিল রেখে করতে হবে। ইউরোপে যেসব প্রবাসী বাঙালি রয়েছেন তাদের মধ্যে ফুটবলার থাকলে যাচাই-বাছাই করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে তাকে।’
