বাঁচলে কৃষক বাঁচবে দেশ

আপডেট : ০৯ মে ২০২০, ২১:১৭

প্রতি বিঘা জমিতে ধান লাগানো ও কাটা বাবদ কৃষককে গুনতে হয় পাঁচ-ছয় হাজার টাকা, যা ১২ মণ ধানের সমমূল্য। এরপরও রয়েছে সেচ, কীটনাশক ও অন্যান্য  খরচ। সেচ বাবদ ২০ শতাংশ বিদ্যুত্ বিল রিবেট থাকলেও সে সুবিধা ভোগ করে একচেটিয়া মালিকেরা। অর্থাত্ লাভের পরিমাণ নিতান্ত কম, যা কৃষকের পক্ষে টিকে থাকার জন্য যথেষ্ট নয়। সরকারপক্ষ থেকে সরাসরি মাঠ থেকে ধান ক্রয়ের কথা থাকলেও তাতে দেখা যায় বিভিন্ন অনিয়ম। আবার কৃষকদের সরকারি ভর্তুকির টাকাতেও দেখা যায় চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ তাদের  আত্মীয়স্বজনদের ভোগ করতে। এইসব কারণেই জিডিপিতে কৃষির অবদান ক্রমান্বয়ে কমছে। শুধু তাই নয়,  কৃষিতে কমে যাচ্ছে কর্মসংস্থানও। যা কোটি কোটি লোকের এই দেশের জন্য একধরনের বিপর্যয়। আমরা জানি শিল্পভিত্তিক অর্থনীতি ভালো। কিন্তু জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান কমে যাওয়াটাও আশঙ্কাজনক। তাই খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থেই কৃষকের পাশে দাঁড়াতে হবে। তা না হলে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।               

মো. রমজান আলী, শিক্ষার্থী, ব্যবস্থাপনা  বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া