চট্টগ্রাম অফিস
চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। এরই মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত শুক্রবার ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি ও সুভাসুতে করোনা শনাক্তের পরীক্ষা করে ১৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের ল্যাবে আজ রবিবার থেকে নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানা যায়। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এখন পুরো জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম নগরী ছাড়াও জেলার প্রতিটি উপজেলায় এই রোগের বিস্তার ঘটেছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, এরই মধ্যে জেলার সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, পটিয়া, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, সীতাকুন্ড ও সন্দ্বীপ উপজেলায় অসংখ্য নারী-পুরুষের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া নগরীর হালিশহর, ইপিজেড, কদমতলী, অক্সিজেন, ফিরিঙ্গিবাজার, আলকরন, পাহাড়তলী, দামপাড়া, দেওয়ানহাট, নাসিরাবাদ, মেহেদীবাগ, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, মোগলটুলি এলাকায় অনেক লোক আক্রান্ত হয়েছেন। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি ইত্তেফাককে বলেন, করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে চাইলে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মানুষকে সচেতন হতে হবে।’ সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, চট্টগ্রামে এই পর্যন্ত ৪৯৫ জন আইসোলেশনে ছিলেন। তার মধ্যে বর্তমানে ৮৪ জন আইসোলেশনে আছেন। হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ২০৯ জন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণে দীর্ঘ সময় লাগছে। নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করতে প্রায় ৮ ঘণ্টা সময় লাগছে। আর পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করতে চার-পাঁচ দিন সময় প্রয়োজন হচ্ছে। এই কাজে জনবলের সংকট রয়েছে।
